অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

তালিবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক বেড়েছে


ফাইলঃ ২০২১ সালের ১৪ই অক্টোবর তুরস্কের আঙ্কারায় একটি বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু ডান দিকে এবং আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বায়ে বক্তব্য রাখেন।

গত বছর তালিবান ক্ষমতায় ফেরার পর অনেক দেশই আফগানিস্তানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে নেটোর একমাত্র সদস্য দেশ তুরস্ক তাদের কূটনৈতিক উপস্থিতি নানা ক্ষেত্রে সক্রিয় রখেছে।

সম্প্রতি, তুরস্কের কোম্পানি সেভেন্টি সেভেনকনস্ট্রাকশন হেলমান্দ প্রদেশের কাজাকি জলবিদ্যুৎ বাঁধের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ করেছে। তারা এই প্রকল্পে ১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে।

বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন তালিবান কর্মকর্তা বাঁধের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যার মধ্যে আব্দুল গনি বারাদার এবং তালিবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত উপ-প্রধানমন্ত্রী আবদুস সালাম হানাফিও ছিলেন। কাবুলে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত সিহাদ এরগিনেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ঐ অনুষ্ঠানে এরগিনে বলেন, “যদিও কাজাকি বাঁধ আমাদের দেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ তবে আমাদের সম্পর্ক আরও বৈচিত্র্যময় এবং গভীর।” তিনি আরও বলেন ২০২২ সালের প্রথম ছয় মাসে দু’দেশের মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ২৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।


কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে আফগানিস্তানের সাথে তুরস্কের সম্পৃক্ততার কারণ দুই দেশেরই অভিন্ন কূটনৈতিক উত্তরাধিকার সংস্কৃতি। ১৯২০-এর দশকে আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক এবং আফগানিস্তানের আধুনিকতাবাদী বাদশা আমানুল্লাহ খানের সাথে সম্পর্কিত।

কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো আলপার কসকুন ভিওএকে বলেন, “বিগত বছর জুড়ে সেই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা কখনও বাধাগ্রস্ত হয়নি।”

২০০১ সাল থেকে ২০২১ সালের আগস্ট মাসে তালিবান ক্ষমতায় ফিরে আসার আগে পর্যন্ত তুরস্ক আফগানিস্তানে নেটোর নেতৃত্বাধীন বাহিনীতে অংশ নিয়েছিল।

XS
SM
MD
LG