অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট: সোওলের নিজস্ব কোন পারমাণবিক প্রতিরোধের পরিকল্পনা নেই


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউক সুক ইওল দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে প্রেসিডেন্ট অফিস স্কোয়ারে ১৯৪৫ সালে জাপানের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার মুক্তি দিবস উদযাপনের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন। ১৫ আগস্ট, ২০২২। ফাইল ছবি।

বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতার মুখে তার সরকারের নিজস্ব পারমাণবিক প্রতিরোধের কোনো পরিকল্পনা নেই।

উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচী ত্যাগ করলে উত্তর কোরিয়াকে একটি “দুঃসাহসী” অর্থনৈতিক সহায়তা প্যাকেজের প্রস্তাব দেয়ার কয়েকদিন পরেই ইউন এ মন্তব্য করেন। কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে দায়ী করে দেশটির প্রতি উত্তর কোরিয়ার “মারাত্মক” প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দেয়ার পরেও ইউন তাদের কঠোর সমালোচনা করেননি।

খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা এবং জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে বড় আকারের সহায়তার জন্য ইউনের প্রস্তাবটি দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ববর্তী প্রস্তাবগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেগুলো উত্তর কোরিয়া প্রত্যাখ্যান করেছিল। উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক অস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিকাশকে ত্বরান্বিত করছে যেটিকে দেশটির নেতা কিম জং উন বেঁচে থাকার তার সবচেয়ে শক্তিশালী গ্যারান্টি হিসেবে দেখছেন।

তবুও ইউন তার পরিকল্পনার বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার সাথে “অর্থপূর্ণ সংলাপে” বসার আশা প্রকাশ করেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে, যদি উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু অস্ত্র কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করার জন্য একটি সত্যিকারের “রোডম্যাপে” প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তা হলে সোওল পর্যায়ক্রমে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে দেশটিকে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক পুরষ্কার প্রদান করতে ইচ্ছুক।

উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমাণবিক আলোচনায় অচলাবস্থার প্রেক্ষিতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটেছে। উত্তর কোরিয়ার নিরস্ত্রীকরণ পদক্ষেপের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কড়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ে মতবিরোধের কারণে ২০১৯ সালের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক আলোচনা ভেঙে পড়ে।

২০২২ সালে উত্তর কোরিয়া তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা রেকর্ড গতিতে বৃদ্ধি করেছে; প্রায় ৫ বছরের মধ্যে প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণসহ এখন পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে।

XS
SM
MD
LG