অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শেখ হাসিনার ভারত সফরে ৭টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, রেলপথ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, “আমরা আশা করি সফরটি অত্যন্ত সফল হবে। এটি আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।”

প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) নয়া দিল্লীর উদ্দেশে রওনা হবেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যকার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে নিরাপত্তা সহযোগিতা, বিনিয়োগ, ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সম্পর্ক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচার রোধ সংক্রান্ত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইউক্রেন সংকট, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও চলমান কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে এই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশি চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায়।”

কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার আগে ২০১৯ সালে শেষবার সফর করার তিন বছর পর শেখ হাসিনা ভারত সফরে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। প্রতিনিধি দলে কয়েকজন মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়েছেন।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকবেন। শেখ হাসিনার কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত একটি ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং তাকে একটি আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। এরপর রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন শেখ হাসিনা।

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জগদীপ ধনকর-এর সঙ্গে দেখা করবেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেয়া মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেবেন।

শেখ হাসিনা, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গুরুতর আহত ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২০০ জন সদস্যের বংশধরদের, বাংলাদেশ সরকারের একটি উদ্যোগ, মুজিব বৃত্তি প্রদান করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

XS
SM
MD
LG