অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে ঢাকার হাজারীবাগে সমাবেশে করেছে বিএনপি


বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের মধ্যেই সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এসময় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন নেতাকর্মী। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) একই স্থানে দুই প্রতিপক্ষ দলের সমাবেশকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের পর বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার ধানমন্ডি জোন, তাদের মূল স্থান পরিবর্তন করে হাজারীবাগ-এর সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশের মাঠে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করে।

জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পুলিশের গুলিতে চার কর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ডে এলাকায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ঘোষিত পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে, ঐ এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পুলিশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর পর, বিএনপি তাদের সমাবেশ হাজারীবাগে স্থানান্তর করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের সমর্থকরা বিএনপি নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থলে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এর পর সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয় দল, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং লাঠিসোঁটাসহ প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা টালি অফিস মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডের পেছনে অবস্থান নেয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেয়।

দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আরও সংঘর্ষ এড়াতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমাবেশস্থলের চারপাশে ব্যারিকেড দিয়ে রাখে। আইনশৃলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের নিরাপত্তায় বিএনপির সমাবেশ শেষ হয়।

বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেন, “আওয়ামী লীগের ‘ক্যাডাররা’ সমাবেশ বানচাল করার লক্ষ্যে, আমাদের দলের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। নেতাকর্মীদের প্রতিরোধের মুখে তারা তা করতে ব্যর্থ হয়।”

তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে তাদের দলের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং পুলিশ কয়েক জন বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের সমর্থক জাহাঙ্গীর আলম জানান, “বিএনপির অনুসারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার সময়, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে।এ সময় অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”

XS
SM
MD
LG