অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কপ-২৭ এর আগে জলবায়ু অর্থায়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান বাংলাদেশের


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের নীতির আলোকে, আগামী মাসে মিশরের শার্ম-আল-শেখ-এ অনুষ্ঠেয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২৭) আগেই, জলবায়ু অর্থায়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) কাজাখস্তানের আসতানায় অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সিকা (সিআইসিএ) শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে। জ্বালানি ঘাটতির সৃষ্টি হচ্ছে এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।”

সব পক্ষকে সংযত থাকতে এবং বিরোধের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে আহ্বান জানান ড. মোমেন। তিনি জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতি সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে। এ ছাড়া, বিশ্বকে নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনসহ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সিকা নেতাদের সমর্থন কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, “মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ স্বদেশ প্রত্যাবাসনের জন্য, উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিকা-এর ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে সদস্য দেশগুলোকে অভিনন্দন জানান এবং সিকার আওতায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপে বাংলাদেশের সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

সম্মেলনে সিকা তহবিল, তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার এবং জাতিসংঘ গৃহীত সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কৌশল (ইউএনজিসিটিএস) বাস্তবায়নে আস্থাবৃদ্ধিমূলক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়। এছাড়া, ‘আসতানা স্টেটমেন্ট অফ ট্রান্সফরমেশন’- শীর্ষক ঘোষণায়, সিকাকে ফোরাম থেকে এশিয়া অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক সংগঠনে উন্নীতকরণের প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে নেতৃবৃন্দ ঐকমত্য পোষণ করেন।

XS
SM
MD
LG