অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নিউজিল্যান্ডে একটি ঐতিহাসিক মাইল ফলক: নারী আইনপ্রণেতাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন


নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন (৮ জুলাই, ২০২২)।

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে অবস্থিত দেশটির সংসদে সোরায়া পিক-ম্যাসনকে একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচনকারী সাংসদ হিসেবে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সবচেয়ে নতুন সদস্য হিসেবে মঙ্গলবার এই মাওরি রাজনীতিবিদ শপথ গ্রহণ করেন, যার ফলে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের সংসদে এখন পুরুষের চেয়ে নারী সদস্যের সংখ্যা বেশি। দেশটির আইন পরিষদে এখন ৬০ জন নারী ও ৫৯ জন পুরুষ আইনপ্রণেতা রয়েছেন।

পিক-ম্যাসন মঙ্গলবার রেডিও নিউজিল্যান্ডকে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণের সংখ্যা বাড়ছে।

তিনি বলেন, “এটি আমার জন্য একটি বিশেষ দিন এবং এটি একইসঙ্গে আওটিরোয়া নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আমাদের দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশের কারণে এই বিষয়টি সামনে আসা ছিল শুধুই সময়ের ব্যাপার।”

তবে ন্যাশনাল পার্টির আইনপ্রণেতা জুডিথ কলিন্স মঙ্গলবার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাজনীতিতে লিঙ্গ-বৈষম্য দূরীকরণের দিক দিয়ে উন্নয়ন আসলেও, তার মানে এই না, যে নিউজিল্যান্ডের সকল নারীর সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা হবে। তিনি জোর দিয়ে জানান, আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সংসদীয় নির্বাচনে নারীদের ভোটাধিকার দেয়। আরও ২৫ বছর পর কানাডা ও ব্রিটেন তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে।

প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন জানান, মঙ্গলবারের অর্জনটি নিউজিল্যান্ডের রাজনীতির জন্য “উল্লেখযোগ্য ও হৃদয়কে উষ্ণ করার মতো” একটি লিঙ্গভিত্তিক মাইলফলক।

পিক-ম্যাসন একইসঙ্গে ব্রিটেনের নতুন রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশকারী প্রথম নতুন আইনপ্রণেতা। ব্রিটেনের রাজা একইসঙ্গে নিউজিল্যান্ডেরও রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকা পালন করেন।

১৯৯৬ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। সে বছর ভোট দেওয়ার একটি নতুন প্রক্রিয়া চালু করা হয়।

নিউজিল্যান্ড একটি দক্ষিণ-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ, যার জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ।

XS
SM
MD
LG