অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গোলাবর্ষণের ফলে ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ


রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলের এনেরদোহারের উপকন্ঠে ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি দৃশ্য। ১৪ অক্টোবর ২০২২। ফাইল ছবি।
রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলের এনেরদোহারের উপকন্ঠে ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি দৃশ্য। ১৪ অক্টোবর ২০২২। ফাইল ছবি।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সোমবার (২১ নভেম্বর) পরিদর্শন করার পরিকল্পনা করেছে। এর আগে ওই এলাকায় দুই দিনের গোলাবর্ষণে স্থাপনাটিতে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের বিষয়ে পুনরায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আইএইএর ভাষ্যমতে, ইউরোপের বৃহত্তম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশেপাশে সর্বসাম্প্রতিক কয়েক দফা হামলার মধ্যে রবিবার ডজনখানেকের বেশি বিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছে।

আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি বলেন, “যদিও বিদ্যুৎকেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর ওপর সরাসরি কোনো প্রভাব পড়েনি, তবুও গোলাগুলো বিপজ্জনকভাবে তার কাছাকাছি এসে পড়েছিল। পরিমাপটা মিটারে চলে এসেছিল, কিলোমিটারে নয়। ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যেই গোলাবর্ষণ করছে, সেই বিপুল ঝুঁকি নিচ্ছে এবং অনেক মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে”।

যুদ্ধ চলাকালে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির আশেপাশে গোলাবর্ষণের জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়া বারবার পরস্পরকে দায়ী করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইউক্রেনে আক্রমণের মধ্য দিয়ে রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করে।

ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, স্থাপনাটিতে আক্রমণ বন্ধে সহায়তা করতে অন্য দেশকে নিজেদের প্রভাব খাটাতে হবে।

ইউক্রেন যখন প্রবল শীতকালীন আবহাওয়ার কবলে রয়েছে, ঠিক সেই সময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের বৈদ্যুতিক গ্রিড ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে আকাশ থেকে হামলা চালাচ্ছে। এর ফলে লাখ লাখ ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে পড়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলেই রুশ বাহিনী ডজন কয়েক বসতির বেসামরিক অবকাঠামোতে গোলাবর্ষণ করেছে। এর ফলে ৩০টি বসতবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

XS
SM
MD
LG