অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নে ইরান, চীনকে উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে অভিহিত করল যুক্তরাষ্ট্র


ওয়াশিংটনে বিশ্ব এইডস দিবসের এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন (ডানে), ২ ডিসেম্বর ২০২২। ঐ একই দিনে, তিনি বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি দেশকে রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাক্ট এর অধীনে বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে অভিহিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার অন্যান্যদের মধ্যে, চীন, ইরান এবং রাশিয়াকে, গুরুতর লঙ্ঘনের কারণে রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাক্ট (ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন) এর অধীনে বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এক বিবৃতিতে ব্লিংকেন বলেন, বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে অভিহিত দেশগুলো ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘনে অংশগ্রহণ করেছে বা তা সহ্য করেছে। এমন অভিহিত দেশগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমার।

পর্যবেক্ষণের তালিকায় আলজেরিয়া, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, কমোরোস ও ভিয়েতনামকেও রাখা হয়েছে।

এছাড়াও একাধিক গোষ্ঠীকেও বিশেষ উদ্বেগজনক গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রেমলিন সংশ্লিষ্ট ওয়্যাগনার গ্রুপটিও রয়েছে। এটি একটি বেসরকারি আধাসামরিক প্রতিষ্ঠান, যারা সিরিয়া, আফ্রিকা ও ইউক্রেনে সক্রিয় রয়েছে। ব্লিংকেন বলেন যে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ওয়্যাগনার গ্রুপকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশেষ উদ্বেগজনক হিসেবে অভিহিত অন্যান্য দেশগুলো হল কিউবা, ইরিত্রিয়া, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান।

১৯৯৮ সালের ইউএস রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে, যিনি কিনা এই দায়িত্বটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়ে রাখেন, এমন সব দেশকে বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে অভিহিত করতে হবে, যেই দেশগুলো নিয়মতান্ত্রিক ও চলমান ভিত্তিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন করছে বলে প্রতীয়মান হবে।

এই আইনটি ব্লিংকেনকে বেশ কিছু নীতিগত প্রতিক্রিয়ার সুযোগ দেয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা তাতে ছাড় দেওয়া। তবে, এই পদক্ষেপগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরোপিত হয় না।


XS
SM
MD
LG