অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পরমাণু তদন্ত বিষয়ে রবিবার ইরান সফর করবে আইএইএ দল


ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রকাশিত এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা সফর করার সময়ে ইরানের আরাক-এর কাছে অবস্থিত আরাক হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টরের সেকেন্ডারী সার্কিটে কারিগরী প্রযুক্তিবিদরা কাজ করছেন, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯। (ফাইল ফটো)

জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থাটি বুধবার জানিয়েছে যে, তাদের একটি কারিগরী দল রবিবার তেহরান সফর করবে। ইরানে অঘোষিত ইউরেনিয়াম কণার সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে এক তদন্তের কারণে সৃষ্ট কয়েক বছরের অচলাবস্থাটি নিরসনের উদ্দেশ্যে সফরটি করা হবে।

ভিয়েনা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থাটি (আইএইএ) কয়েক বছর ধরেই ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে, যাতে দেশটি তিনটি স্থাপনায় সন্ধান পাওয়া মানবসৃষ্ট ও অঘোষিত ইউরেনিয়াম বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করে। সংস্থাটি“স্থাপনাগুলোতে ও সরঞ্জামগুলোতে প্রবেশাধিকার” ছাড়াও নমুনা সংগ্রহের বিষয়েও অনুরোধ জানিয়েছিল।

আইএইএ’র এক মুখপাত্র বলেন, “ইরানের আমন্ত্রণে আইএইএ’র একটি কারিগরী দল রবিবার তেহরানে যাবে।”

তিনি আরও বলেন যে, ১৮ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত এই সফরটির উদ্দেশ্য হল “পূর্বে জানতে পারা ও নিরসন না হওয়া নিরাপত্তার বিষয়গুলোতে নজর দেওয়া”।

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রসি এইবার ইরান সফরে অংশগ্রহণ করবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার ইরান বলেছিল যে, আইএইএ কর্মকর্তারা গোপন কর্মকাণ্ড বিষয়ে করা দাবিগুলোর “অস্পষ্টতা” নিরসনে দেশটি সফর করবেন।

এই বিষয়টি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টাকে ক্রমবর্ধমান হতাশার মধ্যে ফেলেছে। ২০১৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে চুক্তিটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই চুক্তিটি কোন রকমে টিকে রয়েছে।

ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান, মোহাম্মদ এসলামি তেহরানে সংবাদকর্মীদের বলেন, “সংস্থাটির (আইএইএ) সাথে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, এবং আমরা আশা করছি যে, বাধা ও অস্পষ্টতা নিরসনে সংস্থাটির সাথে আমরা কার্যকর অগ্রগতি সাধন করতে পারব।”


XS
SM
MD
LG