অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

২০২৯ সালের পরও জিএসপি-প্লাস সুবিধায় ফ্রান্সের সমর্থন আশা করছে বাংলাদেশ


বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও বাংলাদেশে ফ্রান্সের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন জিএসপি প্রবিধানের অধীনে ২০২৯ সালের পরেও জিএসপি-প্লাস সুবিধার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাবিত মূল্যে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।বাংলাদেশে ফ্রান্সের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই মঙ্গলবার(৩ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভরিথিং-বাট-আর্মস (ইবিএ) স্কিমের জন্য বাংলাদেশকে ব্যাপকভাবে সফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।ইবিএ স্কিম স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে ইইউ-তে আসা সমস্ত পণ্যের (অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাদে) আমদানির জন্য শুল্ক এবং কোটা সরিয়ে দেয়।

ফরাসি রাষ্ট্রদূত তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত স্পষ্ট।

প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, মারি মাসদুপেই-কে বাংলাদেশে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের জন্য অভিনন্দন জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে তার মেয়াদে উভয় দেশ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের মতো চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে।

উভয় পক্ষ যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তি, বিমান চলাচল-সহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয় এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বৈশ্বিক খাদ্য, জ্বালানি এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জের বিষয়ে মত বিনিময় করেন।

মারি মাসদুপুই-কে বাংলাদেশে তার মেয়াদকালে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

XS
SM
MD
LG