অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ক্রিস হিপকিনস


নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী ক্রিস হিপকিন্স এবং নতুন উপ-প্রধানমন্ত্রী কার্মেল সেপুলোনি ওয়েলিংটনে একটি সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন।( ২২ জানুয়ারি, ২০২৩)

গত সপ্তাহে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের পদত্যাগের পর, বুধবার আনুষ্ঠানিক ভাবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা ক্রিস হিপকিনস।

লেবার পার্টি রবিবার সাবেক কোভিড-১৯ রেসপন্স ও পুলিশ মন্ত্রী হিপকিনসকে (৪৪) দল ও দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করেছে। ৪২ বছর বয়সী আরডার্ন সার্বক্ষনিক চাপের কথা জানিয়ে আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করার পর বলেন, দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তার “ট্যাংকে আর তেমন কিছুই নেই।"

আরডার্ন শেষবারের মতো চলে যাওয়ার সময় শত শত মানুষ পার্লামেন্টে জড়ো হন। তিনি তার প্রতিটি সংসদ সদস্যকে আলিঙ্গন করেন। অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

এরপর তিনি গভর্নমেন্ট হাউজে যান। সেখানে তিনি নিউজিল্যান্ডে কিং চার্লসের প্রতিনিধি, গভর্নর জেনারেল সিন্ডি কিরোর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

হিপকিনস এবং তার ডেপুটি কার্মেল সেপুলোনি - প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বংশোদ্ভূত প্রথম ব্যক্তি যিনি এ পদে আসলেন। কয়েক মিনিটের অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ করেন তারা।

হিপকিনস, নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার নীতি সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি। তিনি বুধবার প্রথম তার মন্ত্রিসভার বৈঠক করবেন।

'চিপি' নামে পরিচিত হিপকিনস কোভিড-১৯ মোকাবেলায় তার দক্ষতার জন্য নিউজিল্যান্ডবাসীর কাছে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। যদিও তিনি মহামারী মোকাবেলায় কিছু ভুল আছে স্বীকার করেছেন। অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য তাকে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হবেন।

ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওয়াননিউজ-কান্তার জরিপে দেখা গেছে, ২০২২ সালের শুরুতে লেবার পার্টির সমর্থন ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। যার অর্থ লেবার পার্টি ঐতিহ্যবাহী জোট সঙ্গী গ্রিন পার্টির ৯ শতাংশ নিয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না। বিরোধী দল ন্যাশনাল পার্টি লেবার পার্টির পতন থেকে উপকৃত হয়েছে।

XS
SM
MD
LG