অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

তিউনিসিয়ার সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলেছেন

তিউনিসিয়ার সাংবাদিকরা তিউনিসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সাংবাদিকদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
তিউনিসিয়ার সাংবাদিকরা তিউনিসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সাংবাদিকদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

বৃহস্পতিবার তিউনিসিয়ার রাজধানীতে কয়েক ডজন সাংবাদিক এবং অধিকারকর্মী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “দমন” এবং গণমাধ্যমকে ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছে।

জনপ্রিয় বেসরকারি রেডিও স্টেশন মোসাইক এফএম-এর পরিচালক নুরউদ্দিন বাউতারকে পুলিশ গ্রেপ্তারের তিন দিন পর এসএনজেটি সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

স্টেশনটি প্রায় সময়ই প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের সমালোচনা করে থাকে। সাইদ ২০২১ সালে দেশটির সরকারকে বরখাস্ত করেন, সংসদ স্থগিত করেন এবং এক পদক্ষেপে প্রায় সম্পূর্ণ ক্ষমতা দখল করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীরা তার এই পদক্ষেপকে অভ্যুত্থান বলে অভিহিত করে।

বিক্ষোভকারীদের সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে বাধা দিতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জন পাবলিক ফিগারের মধ্যে একজন হলেন বাউতার। তিনি প্রধানত সাঈদের সমালোচক। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইসলামপন্থী-অনুপ্রাণিত এন্নাহদা পার্টির সদস্যরাও রয়েছেন।

সাঈদের ক্ষমতা দখলের পর থেকে তিউনিসিয়ার এই নেতার বেশ কিছু হাই প্রোফাইল সমালোচক সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। আটকের সর্বশেষ ঢেউ ভীতির জন্ম দিয়েছে। তবে সংকট-বিধ্বস্ত ২০১১ সালে আরব বিদ্রোহের জন্মস্থানে প্রেসিডেন্ট তার বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের মাত্রা বৃদ্ধি করেন।

তিউনিসিয়ার প্রধান বিরোধী জোট বলেছিল, গ্রেপ্তারগুলো “হিংসাত্মক এবং আইনত ভিত্তিহীন” ছিল। এর একদিন পরই এই বিক্ষোভ দেখা গেল।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, গ্রেপ্তারের হার দেখে তারা “গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, “আমরা একটি স্বাধীন এবং স্বচ্ছ বিচারব্যবস্থা যা সকলের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে সক্ষম তার জন্য তিউনিসিয়ার জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করি।”

This item is part of
XS
SM
MD
LG