অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

তিউনিসিয়ায় অভিবাসন প্রত্যাশীবাহী নৌকাডুবি, ২৯ মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড


তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড সদস্যরা এসফ্যাক্স বন্দরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন;( ফাইল ছবি) ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০।
তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড সদস্যরা এসফ্যাক্স বন্দরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন;( ফাইল ছবি) ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০।

তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড রবিবার জানিয়েছে, ৩টি নৌযান ডুবে যাওয়ার পর তারা আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলের দেশেগুলো থেকে আসা ২৯ জন অভিবাসন প্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।

তিউনিসীয় কোস্টগার্ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “নৌকা ডুবে যাওয়ার পর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১১ জন অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে”। বিবৃতিতে মধ্য পূর্ব উপকূলের কাছে ৩টি পৃথক নৌকাডুবির কথা উল্লেখ করা হয়।

তিনটি নৌদুর্ঘটনার একটিতে, তিউনিসিয়ার একটি মাছধরা ট্রলার, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করে। উপকূলীয় শহর মাহদিয়ার কাছাকাছি জায়গায় কোস্টগার্ডের অপর একটি দল ৮টি মরদেহ ও ১১ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। ইতালি যাওয়ার পথে তাদের নৌকা ডুবে যায়।এসফ্যাক্সে, অপর একটি মাছধরা ট্রলার ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে দারিদ্র্য ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে সুদানের দারফুর অঞ্চল, পশ্চিম আফ্রিকা ও আফ্রিকা মহাদেশের অন্যান্য অংশের মানুষ তিউনিসিয়ার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন বিপদসংকুল পথে নিরাপদ পরিবেশ ও উন্নত জীবনের জন্য ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইতালির কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি শুক্রবার সতর্ক করেন, তিউনিসিয়ার “গুরুতর আর্থিক সমস্যার” কারণে ইউরোপের দিকে “অভিবাসনের ঢেউ” শুরু হতে পারে। তিনি উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে, ইতালি ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সমন্বয়ে একটি মিশন পাঠানোর পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈদেশিক নীতিমালা প্রধান জোসেফ বোরেলের কথার প্রতিধ্বনি করেন মেলোনি। এ সপ্তাহের শুরুতে বোরেল সতর্ক করেন যে অর্থনৈতিক ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে তিউনিসিয়া; যার ফলে নতুন করে ইউরোপে অভিবাসন প্রত্যাশীর সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। তবে তিউনিস এমন আশংকা নাকচ করেছে।

XS
SM
MD
LG