বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টদের বাংলাদেশ সফর
৫
২০০৭ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট জোলিক দুই দিনের জন্য বাংলাদেশ সফর করেন। এই সফরে তিনি সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এদের মধ্যে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ জোন কর্তৃপক্ষের কার্যনির্বাহী অধিকর্তা, ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ জোনে (ইপিজেড) গার্মেন্ট কারখানার মালিকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
ইপিজেডগুলি সেই সব জেলায় ২ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করতে সাহায্য করেছিল যেখানে ২০০৭ সালে এগুলি নির্মাণ করা হয়। এই একই বছরে, রপ্তানি আয়ের ১৮ শতাংশ এসেছিল ইপিজেডগুলি থেকে। বাংলাদেশের রেডিমেড গার্মেন্ট শিল্পের চলমান প্রবৃদ্ধির জন্য ইপিজেডের প্রাসঙ্গিকতাকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জোলিক। তিনি বলেছিলেন, বৈশ্বিক বাজারে কার্যকরী অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।
ইপিজেডগুলি সেই সব জেলায় ২ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করতে সাহায্য করেছিল যেখানে ২০০৭ সালে এগুলি নির্মাণ করা হয়। এই একই বছরে, রপ্তানি আয়ের ১৮ শতাংশ এসেছিল ইপিজেডগুলি থেকে। বাংলাদেশের রেডিমেড গার্মেন্ট শিল্পের চলমান প্রবৃদ্ধির জন্য ইপিজেডের প্রাসঙ্গিকতাকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জোলিক। তিনি বলেছিলেন, বৈশ্বিক বাজারে কার্যকরী অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।
৬
২০১৬ সালের অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট কিম দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। রেকর্ড সময়ে দারিদ্র্য হ্রাস করতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বকে চিহ্নিত করতে ও দারিদ্র্য পরিসমাপ্তি দিবস উদযাপন করতে তার এই সফর। ১৯৯১ সালের ৪৩.৫ শতাংশ থেকে দারিদ্র্য হ্রাস পেয়ে ২০২০ অর্থবর্ষে তা দাঁড়ায় ১২.৫ শতাংশে।
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জেলার উদ্যোগ ও প্রতিক্রিয়া কী তা পর্যবেক্ষণ করতে তিনি বরিশালেও গিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট কিম জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্পের জন্য ২ হাজার কোটি ডলারের ঘোষণা করেন।
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জেলার উদ্যোগ ও প্রতিক্রিয়া কী তা পর্যবেক্ষণ করতে তিনি বরিশালেও গিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট কিম জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্পের জন্য ২ হাজার কোটি ডলারের ঘোষণা করেন।