অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

ইউএস চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি এবং সিইও সুজানা ক্লার্ক প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ২ মে, মঙ্গলবার।
ইউএস চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি এবং সিইও সুজানা ক্লার্ক প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ২ মে, মঙ্গলবার।

বাংলাদেশে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি 'বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল এবং ওষুধ শিল্পে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

২ মে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইউএস চেম্বার অফ কমার্স আয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের এক্সিকিউটিভ গোলটেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

সেখানে সিনিয়র এক্সিকিউটিভসদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইউএস চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি এবং সিইও সুজানা ক্লার্ক প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি আপনাদেরকে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস, হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক সার, আইসিটি, সামুদ্রিক সম্পদ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন গতিশীল ও সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।"

বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের যাত্রায় অংশীদার হিসেবে আমাদের সাথে থাকার জন্য আমি আজকে এখানে আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি।”

যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ অনেক ক্ষেত্রে নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২৯টি হাই-টেক পার্ক স্থাপন করছে।

গত ২০২১-২০২২ অর্থবছের বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ১০.৪২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং ২.৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ইউএস বাংলাদেশ আইটি কানেক্ট পোর্টাল উদ্বোধন করেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG