অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতে বিজেপি বিরোধী দলের জোট হিসাবে এনডিএ-র মোকাবিলায় তৈরি হতে পারে পিডিএ

ভারতে বিজেপি বিরোধী দলের জোট হিসাবে এনডিএ-র মোকাবিলায় তৈরি হতে পারে পিডিএ।
ভারতে বিজেপি বিরোধী দলের জোট হিসাবে এনডিএ-র মোকাবিলায় তৈরি হতে পারে পিডিএ।

ভারতে ১৯৯৯ সালে বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্ব অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আদবানীদের সামনে রেখে তৈরি হয়েছিল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স বা এনডিএ। এর পাঁচ বছর পর ২০০৪-এর মে মাসে লোকসভা ভোটের পর কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীকে সামনে রেখে তৈরি হয় ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভস অ্যালায়েন্স বা ইউপিএ। যদিও কংগ্রেস নেত্রী প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি এগিয়ে দিয়েছিলেন মনমোহন সিংহকে। দিল্লির মসনদ থেকে বিদায় নিয়েছিল

এনডিএ। দশ বছরের জন্য ক্ষমতাসীন হয় ইউপিএ। রাজনৈতিক মহলে এবার আলোচনা নরেন্দ্র মোদীর দশ বছরের বিজেপি তথা এনডিএ শাসনের মোকাবিলায় পিডিএ গড়ে উঠবে কী না তাই নিয়ে।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, গত শুক্রবার ২৩ জুন পাটনায় বিরোধী দলগুলির বৈঠকে সিপিআই-এর সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা প্রস্তাবিত জোটের নাম প্যাট্রিয়টিক ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স বা পিডিএ রাখার পরামর্শ দেন। তাঁর প্রস্তাবে প্রায় সব নেতাই সায় দেন। তবে নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠকে ঠিক হয় নেতারা আরও ভাবুন। জুলাই মাসে সিমলার বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

সিপিআই নেতা ডি রাজা চলতি রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, "দেশবাসীর স্বাধীন জীবনযাত্রা এখন বিপন্ন। বিজেপি ছদ্ম দেশপ্রেমের কথা বলে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে। বিজেপিকে দেশপ্রেমের অস্ত্রেই ঘায়েল করতে হবে।"

বিহারের কংগ্রেস নেতা অসিত নাথ তিওয়ারি শুক্রবারের বৈঠকে রাজ্যপার্টির তরফে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সোমবার ২৬ জুন জানান, ডি রাজার প্রস্তাব নেতাদের অনেকের পছন্দ হয়েছে। আরও আলোচনা হবে।

এদিকে, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, "শুক্রবার পাটনার বৈঠকে অনেক বিষয়ে কথা হয়েছে। কিন্তু বিরোধী শিবিরের মুখ কে হবেন, এই বিষয়টি আলোচনায় ওঠেনি।" প্রবীণ নেতার কথায়, "শুক্রবারের বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথাও ছিল না। বৈঠকে দেশের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে মূলত কথা হয়। বিশেষ করে মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্বের মতো বিষয়ে কথা হয়েছে।"

পাওয়ার কেন এই বিষয়ে আচমকা মুখ খুললেন সেই বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় উঠে আসে কোনও কোনও মহল থেকে প্রচার করা হচ্ছে শুক্রবারের বৈঠকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কিছুটা ক্ষুন্ন হওয়ার পিছনে কারণ হল দিল্লির অর্ডিন্যান্স ছাড়াও তিনি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেছেন। রাহুল জোটের মুখ হোন এটা মোটেও চাননি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। পাওয়ার বলেন, "পাটনার বৈঠকে পনেরো দলের ৩৭ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। একজনও নেতৃত্বের প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর প্রসঙ্গ তোলেননি।"

This item is part of
XS
SM
MD
LG