অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গাজার শিফা হাসপাতাল এলাকায় দুই সপ্তাহের অভিযানের পর সরে গেছে ইসরাইলি বাহিনী

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল ইসরাইলি সামরিক বাহিনী একটি হাসপাতালের আবাসন কমপ্লেক্স থেকে সরে যাওয়ার পরে গাজার আল-শিফা হাসপাতালের আশেপাশে ধ্বংসযজ্ঞ দেখা গেছে।
২০২৪ সালের ১ এপ্রিল ইসরাইলি সামরিক বাহিনী একটি হাসপাতালের আবাসন কমপ্লেক্স থেকে সরে যাওয়ার পরে গাজার আল-শিফা হাসপাতালের আশেপাশে ধ্বংসযজ্ঞ দেখা গেছে।

সোমবার ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বাহিনী গাজার উত্তরাঞ্চলের শিফা হাসপাতাল এলাকায় অভিযান শেষ করার পর সেখান থেকে সরে গেছে।

হামাস কমান্ডাররা গাজার সর্ববৃহৎ এই হাসপাতালটি সন্ত্রাসী অভিযান পরিচালনার জন্য ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করে ইসরাইলি বাহিনী এই হাসপাতালে অভিযান শুরু করার দুই সপ্তাহ পর এই সেনা প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটলো।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থল ও বিমান হামলা চালিয়ে হাসপাতাল এলাকায় ২০০ জঙ্গিকে হত্যা করেছে।

ইসরাইলি ট্যাংক ও সেনারা চলে যাওয়ার পর লোকজন ঘটনাস্থলে ফিরেছে। হাসপাতাল কমপ্লেক্সের ভেতরে ও বাইরে মৃতদেহ পাওয়া যায়।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার বলেন, তিনি গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে একটি সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বেসামরিক লোকজনকে সরিয়ে নিতে এবং মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে রাফায় ইসরাইলি হামলা চালানোর পরিকল্পনার পূর্ববর্তী ঘোষণার মতো, এবার ফিলিস্তিনিরা নিরাপদে কোথায় যেতে পারে সে সম্পর্কে কোনো বিবরণ ছিল না।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাসকে পরাজিত করার লক্ষ্যে হওয়া ইসরাইলি অভিযানে গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাফায় আশ্রয় নেয়া ফিলিস্তিনিদের অনেকেই নিরাপত্তার খোঁজে গাজার অন্যান্য অঞ্চল থেকে সেখানে গিয়েছিলেন।

ইসরাইলের শীর্ষ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র, অন্যান্য সরকার ও জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, ইসরাইল যদি তার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যায় তাহলে রাফায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

রবিবার নেতানিয়াহু আবার বলেছেন, ইসরাইল তার লক্ষ্য অর্জনের অন্য কোনো উপায় দেখছে না।

গাজার আল-আকসা হাসপাতালে ইসরাইলের বিমান হামলায় ৪ জন নিহত ও ১৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি এবং রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG