অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইসরায়েল-ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনা হুমকির মুখে, বলছে জাতিসংঘ

গাজার জন্য জাতিসংঘের তৎকালীন সিনিয়র মানবিক ও পুনর্গঠন সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ ২০২৪ সালের ২ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অংশ নেন।
গাজার জন্য জাতিসংঘের তৎকালীন সিনিয়র মানবিক ও পুনর্গঠন সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ ২০২৪ সালের ২ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অংশ নেন।

মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা মঙ্গলবার সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের জন্য দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান অর্জনের সম্ভাবনার জানালা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার বিশেষ সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে বলেন, “এই অঞ্চলের জনগণ এমন সময় থেকে শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে বেরিয়ে আসতে পারে।” “তবে এটাই হতে পারে আমাদের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের শেষ সুযোগ।”

কাউন্সিলে কাগ ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া পশ্চিম তীরে বিশেষ করে জেনিন, তুবাস ও তুলকারমে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত ডরোথি শিয়া বলেন, “নিউ জার্সির বাসিন্দা ইদান আলেকজান্ডার এবং গাজায় হামাসের হাতে নিহত চার আমেরিকানের দেহাবশেষসহ হামাসের কাছে এখনো ৬৩ জন জিম্মি রয়েছে।”

তিনি বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত হামাস শাসন করতে পারে, বা প্রশাসন পরিচালনায় সক্ষম শক্তি হিসেবে অথবা সহিংসতার মাধ্যমে হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এমন শক্তি হিসেবে বিদ্যমান থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব হয়ে পড়বে।” “হামাসকে নির্মূল করতে হবে। তাদের শেষ করতে হবে।”

ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত একমত পোষণ করে বলেন, ইসরায়েল কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে সম্মত হওয়া চুক্তির শর্তানুযায়ী, ৪২ দিনের প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ এই শনিবার শেষ হবে। স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ জন ইসরায়েলি ও বিদেশি জিম্মি এবং দুই শিশুসহ চারজন নিহত বন্দির দেহাবশেষ বিনিময় করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপে আরও ফিলিস্তিনি বন্দীর বিনিময়ে সেনাসহ অবশিষ্ট পুরুষ জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর তৃতীয় ধাপে মৃত ইসরায়েলি জিম্মিদের লাশ মৃত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের দেহাবশেষের বিনিময়ে দেয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG