অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফ্রিকায় কোভিড-১৯ সনাক্তের পরীক্ষা বাড়ালে ভবিষ্যতে সংক্রমণ রোধে সহায়তা করতে পারে: ডব্লিউএইচও


ছবিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকার আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতিকে দেখা যাচ্ছে। জুন ২৪, ২০২১। (ছবি সৌজন্য: ডব্লিউএইচও)

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকাতে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যতে এই মারাত্মক রোগটির বিস্তার রোধে, দ্রুত কোভিড-১৯ সনাক্ত করতে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, আফ্রিকাতে ৮.৪ মিলিয়ন মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ২ লাখ ১৪ হাজার জন মারা গেছেন। একটি নতুন বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয় যে, মহাদেশটিতে মহামারীর মাত্রা ব্যাপকভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

এক মূল্যায়নে দেখা গেছে যে, কোভিড আক্রান্ত সাতজনের মধ্যে মাত্র একজনকে সনাক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো আফ্রিকায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫৯ মিলিয়ন হতে পারে। মৃত্যুর সংখ্যা কম অর্থাৎ তিনজনের মধ্যে একজনের কথা জানানো হয়েছে বলে হিসাবে দেখা যাচ্ছে।

মহাদেশটিতে টিকা দেবার হার কম থাকায় ডব্লিউএইচও'র আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি বলেন, কোথায় ও কিভাবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে ১.২ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে মাত্র ৪.৪ শতাংশ মানুষকে সম্পূর্ন টিকা দেয়া হয়েছে। মাতশিদিসো মোয়েতি বলেন, "আফ্রিকায় সীমিত সংখ্যক পরীক্ষার সাথে সাথে আমরা অনেক কমিউনিটি সম্পর্কে কিছুই জানি না। যাদের লক্ষণ রয়েছে, সেইসব মানুষকেই বেশিরভাগ পরীক্ষা করা হয়, কিন্তু উপসর্গহীন মানুষ দ্বারাই বেশিরভাগ সংক্রমণ ছড়ায়। হিসাবে দেখা যাচ্ছে যে, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৬৫ থেকে ৮৫ শতাংশ মানুষের কোন উপসর্গ থাকে না। আমরা যে রিপোর্টগুলো দেখতে পাচ্ছি তা ব্যাপক সংক্রমণের ইংগিত মাত্র হতে পারে"।

মোয়েতি আরও বলেন, ডব্লিউএইচও'র কমিউনিটি টেস্টিং ইনিশিয়েটিভ একেবারে নতুন পদ্ধতি এবং তা সনাক্তকরণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পাইলট প্রকল্পে অংশ নেয়া আটটি দেশে ঐ উদ্যোগের বাস্তবায়নে ১.৮ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। ঐ দেশগুলো হলো-- বুরুন্ডি, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, গিনি-বিসাউ, আইভরি কোস্ট, মোজাম্বিক, দ্যা রিপাবলিক অফ কঙ্গো, সেনেগাল এবং জাম্বিয়া।

XS
SM
MD
LG