অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে কেরি: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে


ফাইল ফটো: লন্ডনের আলেকজান্ড্রিয়া প্রাসাদে আর্থ শট পুরস্কার বিতরণীতে জন কেরির রেকর্ডকৃত বাণী

গ্লা্সগোতে আগামি সপ্তাহের জলয়াযু বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে জলবায়ু সম্পর্কিত যুক্তরাষ্ট্রের দূত জন কেরি বলেন যে জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করাটা একমাত্র বিকল্প আর সেটা করার চাইতে না করার চওড়া মূল্য দিতে হবে।

কেরি বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া এখনই অনুভব করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “গত ১,২৫০০০ বছরের মধ্যে আমাদের এই গ্রহ সব চেয়ে বেশি ঊষ্ণ এবং এবং কম স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে আর সে কারণে লোকজন মারা পড়ছে”। তিনি বলেন এরই মধ্যে কোন কোন প্রভাব পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি জানতে চান, “ জলবায়ু সংকটের মারাত্মক পরিণতি পরিহার করতে আমাদের যা করা উচিত্ বলে বিজ্ঞান যা বলছে তার সঙ্গে বিশ্ব কি পুরোপুরি সম্পৃক্ত ? “ দুটি শব্দেই বলা যায় , “এখনও নয়। তবে আগেকার যে কোন সময়ের তূলনায় আরও দেশ এগিয়ে আসছে”।

জাতিসংঘের ২৬ তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সকল পক্ষের সম্মেলন (COP26) শুরু হচ্ছে এই রবিবার গ্লাসগোতে। বহু পরিবেশ বিষয়ক সক্রিয়বাদী, নীতি নির্ধারক এবং বিজ্ঞানিরা বলছেন , ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যে লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়েছিল সে বিষয়ে বাস্তব প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করার জন্য এই বৈঠক খুব জরুরি। ঐ চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধ করতে কার্বন নিষ্ক্রমণ কমিয়ে আনা এবং একই সঙ্গে পরিবর্তিত জলবায়ুতে খাপ খাইয়ে নিতে দেশগুলোকে সাহায্য করা।

লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স’এ ভাষণ দিতে গিয়ে কেরি জোর দিয়েই বলেন, সমস্ত বিজ্ঞান এবং গণিতে দেখাচ্ছে যে এ ব্যাপারে চুপ করে বসার মূল্য সক্রিয় হবার মূল্যের চেয়ে আনেক বেশি।কেরি বলেন জলবায়ু সম্পর্কিত এই দুর্যোগ বন্ধ করার জন্য বিজ্ঞানিরা বলছেন ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে তার গ্রীন হাউজ গ্যাস নিষ্ক্রমণ অন্তত ৪৫% কমাতে হবে যাতে করে ২০৫০ সালের মধ্যে এই নিষ্ক্রমণ শূণ্যতে এসে দাঁড়ায়।তিনি বলেন , “ আমরা সেই প্রসঙ্গেই গ্লাসগোতে যাচ্ছি এবং আমি গ্লাসগোতে যাচ্ছি একজন আশাবাদী হিসেবে”।

(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, রয়টার্স এবং এএফপি থেকে নেওয়া)

XS
SM
MD
LG