অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে জাতিসংঘের চুক্তির মেয়াদ বাড়লো


বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য ঐ দেশের রাখাইনে সহায়ক পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের সঙ্গে মিয়ানমারের যে আলাদা দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল, তার মেয়াদ আরো এক দফায় বাড়ানোর নতুন একটি চুক্তি করেছে ঐ দুটি পক্ষ। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং সম্মানের সাথে টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মিয়ানমারের রাখাইনের সহিংসতাপূর্ণ পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্বল অবকাঠামোর পরিবর্তনে জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থা ইউ এন এইচ সি আর এবং উন্নয়ন সংস্থা ইউ এন ডি পি’র সাথে মিয়ানমারের ২০১৮ সালের ৬ জুন পৃথক একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়- যাতে সময় দেয়া হয়েছিল এক বছর। বাংলাদেশ এই চুক্তির কোন পক্ষ নয় বা সংশ্লিষ্টও নয়। জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে পৃথক ঐ এক বছর মেয়াদী চুক্তি পুনরায় বাড়িয়ে ২০১৯-এর মে পর্যন্ত করা হয়। রাখাইনের পরিস্থিতির উন্নয়নে সদ্য যে চুক্তি হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে- তাতে সময় বাড়ানো হয়েছে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত।

জাতিসংঘের সংস্থা ইউ এন এইচ সি আর এবং ইউ এন ডি পি তাদের বিবৃবিতে বলেছে, রাখাইনের পরিবেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক, যথাযথ এবং উপযুক্ত নয়। সেখানে এখনো সশস্ত্র সংঘাত চলছে। আর এই মানবিক সংকটের কারণে সহায়তারও প্রয়োজন।

এদিকে, দুইপক্ষের এই চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি সম্পর্কে ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোন মন্তব্য করেননি। ঢাকায় বিশ্লেষকরা জাতিসংঘ এবং মিয়ানমারের মধ্যেকার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধিকে মিয়ানমারের কূটকৌশল বলে মনে করছেন। এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেছেন অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশ্লেষক আসিফ মুনীর। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে আবারো জোরালো উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে, ঢাকায় পররাষ্ট্র দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বুধবার টেলিফোনে আলাপকালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন ঐ দেশটির প্রতি।

please wait

No media source currently available

0:00 0:03:20 0:00


XS
SM
MD
LG