অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন: বাংলাদেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান: আর্থ-সামাজিক প্রভাব  ও প্রতিক্রিয়া


বাংলাদেশে বেশ কিছু দিন ধরে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চলছে। কেউ কেউ একে শুদ্ধি অভিযানও বলছেন। এ ধরণের অভিযান যে আগে কখনই হয়নি তাও নয়। বিশেষ করে সামরিক শাসন আমলে আমরা দুর্নীতি বিরোধী অভিযান দেখেছি কয়েক বার। সরকার বদলের পরেও লক্ষ্য করা গেছে পূর্বতন সরকারের সদস্যরা যারা হয়ত তখন বিরোধীদলের রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন অভিযান চলেছে। কিন্তু এই প্রথমবার আমরা লক্ষ্য করলাম যে ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতির দায়ে ধরা পড়ছেন জেরার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আটক হচ্ছেন। বিষয়টিকে অনেকেই ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

আবার যেমন ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়, তেমনি অনেকই মনে করছেন এটা হয়তো সঠিক নয়, কেবলই চোখে ধুলি। রুই কাতলারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। তাই দূর্নীতি বিরোধী এই ব্যাপক অভিযান নিয়ে প্রশংসার বদলে কোথাও কোথাও সংশয়ও দেখা দিয়েছে। সংশয়টা আরো বাড়ছে কারণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দু'জন নেতাকে প্রকল্পের ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমিশন দাবি করার দায়ে বহিস্কারের পর, উপচার্যের বিরুদ্ধেও যখন অভিযোগ ওঠে তখন তাঁর সমর্থনে আবার ছাত্রলীগ এগিয়ে আসে। এরই মধ্যে ক্যাসিনোতেও অভিযান চলেছে প্রায় নিয়মিত। বিষয়টা এখনো পর্যন্ত খানিকটা হযবরল মনে হচ্ছে।

এই বাস্তবতায় আপনাদের জিজ্ঞাসা আর আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেলর জবাব ও বিশ্লেষণের এই অনুষ্ঠানে আজকের বিষয় বাংলাদেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান: আর্থ-সামাজিক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া।

আজ আমাদের প্যানেল সদস্যরা ছিলেন ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সংক্ষেপে টিআইবি‘র নির্বাহী পরিচালক ড ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বা বিআইডিএস‘এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেছেন আনিস আহমেদ।


XS
SM
MD
LG