অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাজ্য


Bangladesh

যুক্তরাজ্য সরকার গত বুধবার প্রকাশিত তার বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে ওঠা সহিংসতা ও কারচুপির অভিযোগকে ‌'বিশ্বাসযোগ্য' বলেছে। এবং দেশটির মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং বাকস্বাধীনতা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের বার্ষিক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশের উদারনৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করলেও দেশটিতে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়া এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার সংকোচন ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

‘মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিবেদন ২০১৮’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনের সূচনাতেই বলা হয়, ২০১৮ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণতন্ত্রের সুরক্ষা দুর্বল হয়েছে। গুম, ধর্মীয় স্বাধীনতা বা বিশ্বাস এবং আধুনিক দাসপ্রথার মতো বিষয় বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের অগ্রাধিকার রয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে তথ্য দেওয়া হয় যে, অবাধ, শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন যা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধশালী করতে তার উন্নয়নকে শক্তি যোগাবে, সেই বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সুস্পষ্ট। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী জেরেমি হান্ট যুক্তরাজ্য সরকারের ঐ মনোভাব গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকালে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যক্ত করেছিলেন।

সকল দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়া উৎসাহব্যঞ্জক হলেও গ্রেপ্তার এবং বিরোধী দলের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়। এর ফলে কিছু লোক ভোট দিতে পারেনি। যুক্তরাজ্য নির্বাচনী অনিয়মের সব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:54 0:00

XS
SM
MD
LG