অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চীনের শিক্ষার্থীরা


ওয়াশিংটনের টাকোমাতে লিংকন হাই স্কুলে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের ভাষণ শুনে করতালি দিচ্ছেন চীনের ছাত্ররা, ফাইল ছবি ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫, ছবি, ডেভিড রাইডার /রয়টার্স

অনলাইনে এক সেমেস্টার শেষ করে , ওয়াং জিওই তার সতীর্থ, যারা সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরছেন তাদের সঙ্গে মিলিত হতে আশা করছিলেন, তখনই, ২৩ বছর বয়সী অর্থ বিভাগের ছাত্র জানতে পারেন যে, নিরাপত্তাজনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, তার ছাত্র ভিসা বাতিল করে দিয়েছেI

অন্তত ৫০০ ছাত্রের মধ্যে ওয়াং ছিলেন অন্যতম, যিনি E ভিসার জন্য দরখাস্ত করেছিলেন। তাদের ভাষায়, তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তারা ক্ষুব্ধ। ওয়াং বলেন, "পুরো ব্যাপারটাই অসত্য, বাজে কথা, অর্থ বিভাগের ছাত্র হয়ে সামরিক বিষয়ে আমাদের কি করার থাকতে পারে" ?

এই ছাত্ররা, সেই সব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেল যাদের পরিকল্পনা, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, বেইজিংয়ের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি, করোনা ভাইরাসের উৎস, মানবাধিকার এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও অন্যান্য অঞ্চলে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দাবি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার উত্তেজনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নীতি অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা, পিপলস লিবারেশন আর্মি অথবা ওয়াশিংটন যেসব বিশ্ববিদ্যালয়কে চীনের সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসাবে গণ্য করে, তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের ভিসা নিষিদ্ধ করা হবে I

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেন তারা মনে করেন, হাজার হাজার চীনা ছাত্র ও গবেষক যারা, এই কর্মসূচির আওতায় অংশ নিচ্ছেন, তাদেরকে চিকিৎসা, কম্পিউটার ও অন্যান্য স্পর্শকাতর তথ্য চীনে হস্তান্তর করতে উৎসাহিত করা হয় I

ওয়াশিংটন, বেইজিংয়ের এই কৌশলকে “ সামরিক-অসামরিক সম্পৃক্ততা” বলে আখ্যায়িত করেছে, যার মাধ্যমে চীন, ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে চীনের সামরিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের হাতিয়ার বলে গণ্য করে থাকে I

(এপি)

XS
SM
MD
LG