অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

করোনা আক্রান্ত গ্রামের মানুষ ছুটছেন শহরে, মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়ালো


করোনা আক্রান্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষের চাপে শহরের হাসপাতালগুলো ধারণ ক্ষমতার বাইরে।

করোনায় সংক্রমিত লোকজন এখন গ্রাম থেকে শহরের হাসপাতালের দিকে ছুটছেন । ফলে চাপ বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই শয্যা সংকট। আইসিইউ খালি নেই কোথাও। অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সামনে একটি নোটিশ টানিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- এখানে কোন শয্যা খালি নেই। কিছু সময় পরপরই রোগী নিয়ে আসছেন স্বজনরা। জরুরী বিভাগের সামনে অনেক রোগী শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভুগছেন। কাউকে কাউকে সেখানে রাখা সাধারণ অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ রোগী কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুরসহ দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় জেলার।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৮০০-এর মতো শয্যা রয়েছে। আইসিইউতে শয্যা রয়েছে ২১২টি। বুধবার দুপুরে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে ১৮ জন রোগী আসেন। সবাই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন। এই হাসপাতাল থেকে এতদিন কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেয়া হতো না। কিন্তু বুধবার দুপুরে একজন রোগীকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। বলা হয়, অক্সিজেনের সুবিধা নেই।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কভিড ইউনিটে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ৩০ জনের মতো রোগী আসেন। ২০ জনকে ভর্তি করা হয়। বাকিদের পাঠানো হয় অন্য হাসপাতালে। এসব রোগীর বেশিরভাগই ঢাকার বাইরে থেকে আসা। এই হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি নেই।

বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের চিত্র প্রায় একই। এই হাসপাতালের ৬০ শতাংশ রোগী আসছেন গ্রাম থেকে। আর যারা মারা যাচ্ছেন তার ৭০ ভাগই গ্রামের রোগী। এই হাসপাতালে রোগী ভর্তির ব্যবস্থা আছে ২৫০ জনের।

রংপুর মেডিকেলে অক্সিজেন সংকট। এজন্য রোগীর স্বজনরা বাইরে থেকে অক্সিজেন কিনে রোগী বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এই হাসপাতালের অক্সিজেন লাইনগুলো দুই যুগ পুরনো। এ কারণে নিরবচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

বাংলাদেশে ভ্যাকসিন ফাইন্ডার চালু করেছে ফেসবুক। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ফেসবুক যৌথভাবে এটি চালু করেছে। নতুন এই টুলটির মাধ্যমে জানা যাবে, কারা টিকা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে টুলটি নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও এই টুলটি পাওয়া যাবে।

সংক্রমণে নতুন রেকর্ড

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ২৩০ জন মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। এ সময়ে মারা গেছেন ২৩৭ জন। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

XS
SM
MD
LG