অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভোটাধিকার প্রশ্নে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব


প্রতিবাদকারীরা টেক্সাসের অস্টিনে, টেক্সাস ক্যাপিটলে ভোটাধিকারের জন্য মিছিল করে। ৩১ জুলাই, ২০২১

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণের ৫৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল মল বা জাতীয় উদ্যানে আগস্টের ২৮ তারিখে হাজার হাজার মানুষ ভোটাধিকার আইন প্রণয়নের দাবি নিয়ে মিছিল করবে।

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উত্তপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানরা ভবিষ্যতে নির্বাচনের জন্য নিজেদেরকে আরও ভালো অবস্থানে রাখার লক্ষ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় ভোটাধিকার আইনকে নতুন রূপ দেওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন। সারা দেশে রিপাবলিকান রাজ্যের বিধায়করা, যাদের ভিত্তিহীন দাবি যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে প্রতারিত হয়েছেন, ব্যালট বাক্সে জালিয়াতি রোধে অত্যন্ত সীমাবদ্ধ রাষ্ট্রীয় আইন প্রণয়নের জন্য দ্রুত চেষ্টা চালিয়েছেন।ডেমোক্র্যাটরা জোর দিয়ে বলছেন যে এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে অনেকগুলি অযাচিত পদক্ষেপ রয়েছে যা লক্ষ লক্ষ আমেরিকানের ভোটাধিকারকে অস্বীকার করতে পারে এবং কংগ্রেসের মাধ্যমে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডেমোক্র্যাটরা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বেশ কিছু আইন উত্থাপন করেছেন যা রিপাবলিকানদের অনেক রাজ্য পর্যায়ের আইনগুলোর গুরুত্ব কমিয়ে দেবে।কিন্তু এই আইনগুলোর সমর্থনে বাইডেন প্রশাসনের লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দেয়া সত্ত্বেও যা সমান ভাবে বিভাজিত যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে স্থগিত রয়েছে –সেগুলোর অনুমোদন লাভের সম্ভাবনা নেই।

ভোটাধিকারের জন্য লড়াই দেশের পক্ষপাতদুষ্ট রাজনৈতিক বিভাজনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জুন মাসে, সেনেটে রিপাবলিকানরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে পাশ হওয়া "ফর দ্য পিপল অ্যাক্ট" -এর বিতর্কে বাধা দেয়। এই আইনটি এক প্রজন্মে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সংস্কার হতে পারতো। এইচ আর ওয়ান প্রস্তাবিত আইনটি, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, কংগ্রেস জেলাগুলির পক্ষপাতের অবসান ঘটাবে, প্রচারণা আইনগুলি পুনর্নির্মাণ করবে এবং ভোটের অধিকার রক্ষা করবে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস এই আইনটি বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার পর সংবাদকর্মীদের বলেন, নিরপেক্ষভাবে ভোট দি্তে এটি আমেরিকান জনগণকে সাহায্য করবে, অর্থপূর্ণ উপায়ে ভোটাধিকার অর্জনে সহায়ক হবে এই আইনটি, কারণ সকল আমেরিকানদের ভোটাধিকার আছে কি না তা নিয়ে কেউ বিতর্ক করছে না।এখানে সমস্যা হচ্ছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের প্রবেশাধিকার আছে কিনা।"

কিন্তু অনেক বিশ্লেষক বলছেন সেনেটের ফিলিবাস্টার রুল অর্থাৎ একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোন একটি আইন সম্পর্কে সেনেটের মতামত বাধাপ্রাপ্ত বা দীর্ঘায়িত করা সম্ভব, সেটির অবসান ঘটাতে যদি ডেমোক্র্যাটরা না পারেন তাহলে এই কেন্দ্রীয় আইনটি এভাবেই আটকে থাকবে। অধিকাংশ আইনকে এগিয়ে নিতে তিন-পঞ্চমাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।

XS
SM
MD
LG