অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ফেসবুকের বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠনের তালিকায় বাংলাদেশের ছয়টি জঙ্গি সংগঠন  


ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্ক, ফেসবুক সদর দফতরের ভিতরের ছবি- ফাইল ফটো- এপি

ফেসবুক বাংলাদেশের ছয়টি জঙ্গি সংগঠনকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। সংস্থাটি বলেছে, এই সংগঠনগুলো বাংলাদেশে অপারেশন চালাচ্ছে বা সক্রিয় রয়েছে। একজন ব্যক্তিকেও কালো তালিকাভুক্ত করেছে। জেএমবি'র সমর্থক তরিকুল ইসলামের নাম প্রকাশ করেছে, তবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি।

কালো তালিকাভুক্ত ছয়টি জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে রয়েছে- আল মুরসালাত মিডিয়া অ্যান্ড ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশ। এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। হরকাতুল জিহাদি ইসলামী বাংলাদেশ অ্যান্ড আনসারুল্লাহ বাংলা। এদের রয়েছে আল কায়েদার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ। এ ছাড়া আছে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবি, সাহাম আল হিন্দু মিডিয়া। এই সংগঠনের সম্পর্ক রয়েছে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের। আল কায়েদা সেন্ট্রাল কমান্ডের মিডিয়া উইং হিসেবে পরিচিতি রয়েছে এই সংগঠনের।

দ্য ইন্টারসেপ্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের কালো তালিকার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ'র নাম সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত। ৫৩ দশমিক ৩ শতাংশ জড়িয়ে আছে সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে। ১৭ শতাংশ বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানোর জন্য। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্ত আছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এক শতাংশ সংযুক্ত আছে ভায়োলেন্ট নন স্টেট অ্যাক্টরস হিসেবে।

উল্লেখ্য যে, ফেসবুক বিপজ্জনক চার হাজার ব্যক্তি ও সংগঠনের তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রাজনীতিক, লেখক, দাতব্য সংস্থা, হাসপাতাল এবং কয়েকশ' মিউজিক ভিডিও রয়েছে। শুধু তাই নয় মৃত, ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের নামও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ফেসবুক এদের তিনটি ভাগে ভাগ করেছে। সন্ত্রাসী সংগঠন- যারা বিদ্বেষ ছড়ায় এবং অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকলে টিয়ার-১ হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তদের নাম।

আমেরিকান সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্টারসেপ্টের প্রতিবেদনে সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তদের বেশিরভাগই মার্কিন সরকারবিরোধী ডানপন্থি মিলিশিয়া। যাদের সবাই শ্বেতাঙ্গ। এ সম্পর্কে বাংলাদেশের অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার আসলাম খান বলেছেন, ফেসবুক এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। তারপরেও তারা তদন্ত করে দেখবেন।

XS
SM
MD
LG