অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার কাজে এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি


কাবুলে উদ্ধার অভিযান শেষ করার পর জার্মান সৈন্যরা উজবেকিস্তানের তাশখন্দ থেকে জার্মানীর ওয়ানস্টর্ফের বুন্দেসওয়েয়ার এয়ারবেসে (২রা আগস্ট, শুক্রবার)।

জার্মানি বলছে, আফগানিস্তান থেকে যারা এখনও বেরিয়ে আসতে চাইছে, কিংবা যারা ইতোমধ্যে শরণার্থী হিসেবে পালিয়ে এসেছে, তাদের সাহায্য করতে জার্মানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আফগানিস্তান থেকে সে দেশের নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে চার দিনের এক সফরের শুরুতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস জোর দিয়ে বলেছেন, “সেনা প্রত্যাহারের সাথে সাথেই জার্মানির কার্যক্রম শেষ হয়ে যাচ্ছে না”।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস তুরস্কের আন্তালিয়ায় আফগানিস্তানের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস তুরস্কের আন্তালিয়ায় আফগানিস্তানের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

মাস তার সফরসূচীর প্রথম দেশ তুরস্কে যাবার আগে এ কথা জানিয়েছেন। এরপর তিনি উজবেকিস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং কাতার সফর করবেন।

আফগানিস্তানে জার্মানির সেনা প্রত্যাহার শেষ হবার কয়েকদিন পরই মাসের এই সফর হচ্ছে।জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে জার্মানি আফগানিস্তান থেকে ৪৫টি দেশের কমপক্ষে ৫,৩৪৭ জন নাগরিককে সরিয়ে নিয়েছে। তবে হাজার হাজার মানুষ এখনও সে দেশ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে।

এক বিবৃতিতে মাস স্বীকার করেন, তিনি যেসব দেশ পরিদর্শন করছেন, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ প্রত্যাহার প্রক্রিয়ায় “সাফল্য নিশ্চিত করতে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছে”। তিনি বিশ্বাস করেন, “তালিবানের প্রতি সমন্বিত আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি” প্রয়োজন।

কাবুলে বৃহস্পতিবারের প্রাণঘাতী হামলার পর বিমানবন্দরের বাইরে পাহারারত তালেবান যোদ্ধারা।
কাবুলে বৃহস্পতিবারের প্রাণঘাতী হামলার পর বিমানবন্দরের বাইরে পাহারারত তালেবান যোদ্ধারা।

মাস আরও বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলোকে এর ফলে সৃষ্ট মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য আমাদের সাহায্য প্রস্তাবও এরই একটি অংশ”। “আফগানিস্তানের পতন যেন পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল না করে, তা আমাদের নিজ নিজ স্বার্থেই নিশ্চিত করা প্রয়োজন”।

XS
SM
MD
LG