অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গ্রীসে অভিবাসন-প্রত্যাশীদের নৌকা দূর্ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু 


ফাইল ছবি, গ্রিসের লেসবোস দ্বীপে শরণার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশীরা পৌঁছচ্ছেন অতিরিক্ত বোঝাই একটি নৌকোয়, ১০ই নভেম্বর, ২০১৫, ছবি আলকিস কনস্টান্টিননাইডিস্/রয়টার্স
ফাইল ছবি, গ্রিসের লেসবোস দ্বীপে শরণার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশীরা পৌঁছচ্ছেন অতিরিক্ত বোঝাই একটি নৌকোয়, ১০ই নভেম্বর, ২০১৫, ছবি আলকিস কনস্টান্টিননাইডিস্/রয়টার্স

সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন-প্রত্যাশী লোকদের বহনকারী কয়েকটি নৌকা দূর্ঘটনার সর্বসাম্প্রতিক ঘটনার পর শনিবার জীবিতদের সন্ধানে গ্রীক উপকুল রক্ষীরা এজিয়ান সাগরে তল্লাশী চালায়। এই দূর্ঘটনাগুলোতে মাত্র এই কয়দিনে অন্তত ৩০ জন মারা গিয়েছেন।

শুক্রবার দিনের শেষে উপকুল রক্ষীরা ১৬টি মৃতদেহ খুঁজে পায়, যার মধ্যে তিনজন নারী এবং একটি শিশু রয়েছে। এছাড়াও কোস্টগার্ড পারোস দ্বীপের কাছে উল্টে ডুবে যাওয়া একটি নৌকার ৬৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃতদের ভাষ্যমতে নৌকাটিতে ৮০ জনের মত ছিলেন।

কর্মকর্তারা জানান যে উপকুল রক্ষীদের তিনটি টহল নৌযান, একটি ব্যক্তিগত নৌযান, কোস্টগার্ডের একটি উড়োজাহাজ এর সাথে ডুবুরিরাও জীবিতদের তল্লাশী অভিযানে অংশগ্রহণ করে।

এর মাত্র কয়েক ঘন্টা আগেই আরেকটি নৌকা থেকে ১১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌকাটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রীসের আন্তিকিথেরা দ্বীপের উত্তরের একটি ছোট দ্বীপে অগভীর পানিতে আটকা পড়ে। উপকুল রক্ষী জানিয়েছে দ্বীপটিতে আটকে পড়া নব্বই জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্যদিকে বুধবার, ফোলেগানদ্রোস দ্বীপের কাছে অভিবাসন-প্রত্যাশীদের বহনকারী একটি ডিঙ্গি নৌকা উল্টে অন্তত তিনজন নিহত হন। তেরজনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে গ্রীক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানায় যে ফোলেগানদ্রোস ‘এর দূর্ঘটনাটি এজিয়ান সাগরে এ বছরের সবচেয়ে গুরুতর দূর্ঘটনা হতে পারে, যেখানে অজানা সংখ্যক মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ইউএনএইচসিআর এর অনুমানে এ বছরের জানুয়ারী থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ইউরোপে পৌছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সাগরে প্রায় ২,৫০০ মানুষ মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০১৫ সালে সাগর পাড়ি দিয়ে তুরস্কের নিকটবর্তী গ্রীক দ্বীপগুলো দিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে প্রবেশ করেছেন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই সিরিয়ান শরণার্থী।

.

XS
SM
MD
LG