অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন


বিশ্বের নানা স্থানে অভিবাসন সমস্যা যেমন গুরুতর তেমনি সীমান্ত নিরাপত্তাও এখন প্রশ্ন বিদ্ধ। সীমান্ত নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ সীমান্তে দেয়াল তৈরি থেকে শুরু করে নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন--এমন কি এক পর্যায়ে দেশে জরুরী পরিস্থিতি ঘোষণা করার মত চিন্তা ভাবনাও করে প্রশাসন। তবে যেকোনো দেশের সীমান্ত রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাএকটি দেশের মৌলিক অধিকার। বেআইনি অভিবাসনকে থামানো বা তাকে প্রশ্রয় না দেওয়া নিজ নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ বিধি ব্যবস্থার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। এ বিষয়েই আজ আমরা আলোকপাত করি যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন বিষয়ক হ্যালো ওয়াশিংটন অনুষ্ঠানে।
আজ আমাদের অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনজন অতিথি। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যর আমেরিকান পাবলিক ইউনিভারসিটির, স্কুল অফ সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্লোবাল স্টাডিজ-এর অ্যাডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: সাইদ ইফতেখার আহমেদ।
A&M International University-র কমিউনিকেশন ইন পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন এর এডমিনিস্ট্রেটিভ এথিকস-রেশিয়াল এন্ড পলিটিক্সের সহকারী প্রফেসার ড: মেহনাজ মোমিন। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির মাস কমিউনিকেশন এন্ড জর্নালিজম বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসার ডঃ আবু নাসের রাজীব।

সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার লক্ষ্যে দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে সাধারণত যারা আসেন তারা মধ্য আমেরিকার গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদরের মানুষ তবে টেক্সাসের ডেল রিও’র বর্ডার পেট্রোল কর্মকর্তারা জানান গত বছর ঐ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে প্রবেশের সময় তারা অন্যান্য প্রায় ৫০টি দেশের মানুষ জনকেও গ্রেফতার করেছে।
২০১৮ সাল অক্টোবর মাস থেকে ২০১৯এর জুলাই মাস পর্যন্ত দক্ষিণ পশ্চিমের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ কালে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ডার পেট্রোল কর্মকর্তারা প্রায় ৪লক্ষ্য৩২ হাজারের বেশী শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্ককে আটক করেছে যা আগের বছরে একই সময়ের তুলনায় ৪৫৬ শতাংশ বেশী। Del Rio Sector এর Border Patrol এর তথ্য অনুযায়ী এদের মধ্যে ২ হাজার জন হেইটির এবং ১৭০০ জন আফ্রিকার আরও ৩৬টি দেশের।

বিস্তারিত শোনার জন্য অডিওতে চাপ দিনঃ

please wait
Embed

No media source currently available

0:00 0:42:11 0:00



XS
SM
MD
LG