অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল-সুদান সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গতকাল ঘোষণা করেন যে, সুদান ও ইসরাইল তাদের মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয়েছে এবং এই ৩রা নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে তিনি এটিকে তাঁর পররাষ্ট্র নীতির সাফল্য হিসেবেই তুলে ধরেন। ট্রাম্প তাঁর ওভাল অফিসে সংবাদদাতাদের বলেন সুদান প্রজাতন্ত্র শান্তি স্থাপনে সম্মত হয়েছে। এই হচ্ছে তৃতীয় দেশ যেখানে আমরা এটা করছি এবং আরও অনেক দেশ তা করবে। সুদানের আগে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সেপ্টেম্বর মাসে আব্রাহাম অ্যাকর্ড স্বাক্ষর করেছে।

হোয়াইট হাউজ এই বলে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে যে, “সামনের সপ্তাহগুলোতে এই দুটি দেশ কৃষি, অর্থনীতি, বানিজ্য, বিমান চলাচল, অভিবাসন এবং অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার ব্যাপারে আলাপ আলোচনা শুরু করবে। এই ঘোষণা দেয়ার সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে যুক্ত ছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতেনইয়াহু, সুদানের প্রধানমন্ত্রী আব্দাল্লা হামদক এবং সুদানের সার্বভৌমত্ব পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দেল ফাতাহ আল বুরহান। নেতেনইয়াহু এই ঘোষণাকে শান্তির জন্য আরো একটি নাটকীয় অগ্রযাত্রা বলে স্বাগত জানান।

ট্রাম্প যদিও বলেন যে শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনিরাও ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে, ফিলিস্তিনের প্রেসিডে্ট মাহমুদ আব্বাসের দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে দখলদার রাষ্ট্র ইসরাইল, যারা কিনা ফিলিস্তিন ভূমি দখল করে রেখেছে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের নিন্দে করেন।

প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশীরের সময় সুদান দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনি দাবির জোর সমর্থক ছিল। ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০১৯ সালে তাঁকে ক্ষমতাচ্যূত করা হয়।

XS
SM
MD
LG