অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র-তালিবান আলোচনা আয়োজনের কৃতিত্ব দাবি করলো পাকিস্তান


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান তালিবানের মধ্যে শিগগিরই বৈঠক হবার কথা রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের অনুরোধে পাকিস্তানই এই সংলাপের আয়োজন করে।

জুলাই মাস থেকেই যুক্তরাষ্ট্র কাতার ভিত্তিক তালিবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছে তবে যেমনটি বিদ্রোহীরা এবং পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলছেন এ পর্যন্ত কেবল কথার জন্যই কথা হচ্ছে।

খানের এই উক্তির সপ্তাখানেক আগেই আফগানিস্তান সমঝোতা বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জালমে খলিলজাদ ইসলামাবাদে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন । ঐ বৈঠকে তিনি আফগান শান্তি আলোচনার ব্যাপারে পাকিস্তানের সাহায্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী খান শুক্রবার পেশাওয়ারে এক জনসভায় বলেন যে ওয়াশিংটন এখন তার সুর পাল্টেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এর আগে বলেছিলেন যে পাকিস্তান পর্যাপ্ত কিছু করছে না তবে এখন তারা সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করছে।

খান বলেন আল্লাহর ইচ্ছায় , ইনশা’আল্লাহ ১৭ তারিখে আমেরিকা এবং তালিবানের মধ্যে বৈঠক হবে , যা সম্ভব হয়েছে পাকিস্তানের প্রচেষ্টায়। তবে কোন মাসের ১৭ তারিখ , সেটি পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী বলেননি এবং তিনি বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।

দূত খালিলজাদ ঐ অঞ্চলে ১৮ দিনের সফরে , আজ বারোতম দিন অতিবাহিত করলেন। তিনি আফগান শান্তি প্রক্রিয়ার ব্যাপারে সর্মন আদায়ের লক্ষ্যে এরই মধ্যে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, রাশিয়া, তুর্কেমেনিস্তান, উজবেকিস্তান এবং বেলিজিয়াম সফর করেছেন। এই বিশেষ দূত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার সফরেও যাবার পরিকল্পনা করছেন , যারা কীনা তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় মধ্যস্থতা করান।

ইমরান খান বলেন যে সমালোচকরা তাঁকে তালিবান খান বলে ঠাট্টা করতেন কেবল এ কথা বলার জন্যই যে রাজনৈতিক আলোচনা ছাড়া আফগান যুদ্ধ বন্ধ হবে না। খান জোর দিয়েই বলেন যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠা একান্ত প্রয়োজন

সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে খলিলজাদ, বিদ্রোহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু দফা আলোচনা করবেন।

.

XS
SM
MD
LG