অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হোয়াইট হাউজে কেনিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন


প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে আলোচনায় মিলিত হন, ১৪ই অক্টোবর, ২০২১ছবি, সুসান ওয়ালশ/এপি

বিশ্বে ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কেনিয়া আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ, তারই স্বীকৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণের পর এটিই ছিল তাঁদের মধ্যে মুখোমুখি আলোচনা।

দুই নেতা ওভাল অফিসে মিলিত হওয়ার পর বাইডেন বলেন " যুক্তরাষ্ট্র-কেনিয়ার কৌশলগত অংশীদারিত্ব অত্যাবশ্যকীয়I আমি মনে করি, আমরা উভয়েই বিশ্বাস করি যে শীর্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমাদের অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি"।

আলোচনার পর হোয়াইট হাউজ জানায় যে দুই নেতা "গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায়, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার অগ্রগতি, জলযায়ু-বান্ধব সমাধান গ্রহণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের ব্যবহারের প্রতি তাদের সম্মিলিত প্রত্যয় ব্যক্ত করেন"I

সেই বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ আরো জানায় যে "দুই নেতা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় আরো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে আসা এবং সোমালিয়া ও ইথিওপিয়ার সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন"I

কেনিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশ ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় টিগ্রায় এলাকায় প্রায় ১ বছর ধরে লড়াই অব্যাহত রয়েছে I এই সংঘাতে অগণিত জনগণের মৃত্যু হয়েছে, যে মৃত্যুর সংখ্যাটিই এখন বিতর্কিত বিষয়I জাতিসংঘের হিসেবে অনুযায়ী এই লড়াই ৫০ লক্ষ ২০ হাজার লোককে মানবিক সঙ্কটে পতিত করেছে এবং ৬৩,০০০ এর বেশি লোক পার্শ্ববর্তী সুদানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেনI

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আগে এক সুযোগে প্রকাশ্যেই বাইডেন বলেন,"আফ্রিকা শৃঙ্গের শান্তি ও নিরাপত্তার অগ্রগতিতে কেনিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র একত্রে কি করতে পারে, আজ সে ব্যাপারে আমরা আলোচনা করবো"I কোনো নেতাই ইথিওপিয়ার নাম উল্লেখ করেন নিI

তবে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, দুই নেতা ঐ স্থলবেষ্টিত দেশটি নিয়ে আলোচনা এবং দেশটির সংঘাতকে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেনI

XS
SM
MD
LG