অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন


জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম সাম্প্রতিক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছে, বর্তমানে বিশ্বে অভিবাসীর সংখ্যা ২৭ কোটি। গত ১০ বছরে এই সংখ্যা বেড়েছে ১২ কোটি। বাংলাদেশের নিজ শ্রম অভিবাসীর সংখ্যাও দিনে দিনে বাড়ছে। ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত হিসেবে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ শ্রম অভিবাসী হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গেছেন। বাংলাদেশের নারীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এ পর্যন্ত সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গেছেন এমন নারী শ্রম অভিবাসীর সংখ্যা ৯ লাখের মতো। এরমধ্যে সৌদি আরবেই গেছেন সাড়ে ৩ লাখ।
এর ভিন্ন চিত্র হচ্ছে- বাংলাদেশই ১১ লাখ দেশহীন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আইওএম বলছে, কোন একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশই এই তালিকায় শীর্ষে।

Migrants 2
Migrants 2

এমনই এক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে কিছু কর্মসূচির আয়োজন করে।
এদিকে, সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের ফেরত আসার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট সবাই। যৌন হয়রানীসহ নানা নির্যাতনের কারণে গত ৫ বছরে কমপক্ষে ৯ হাজার নারী শ্রমিক সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। যারা ফিরে এসেছেন তারা সমাজে কোনঠাসা হয়ে আছেন। তাদেরই একজন মানিকগঞ্জের সোহা বেগম পুনর্বাসন কর্মসূচির দাবি জানান। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ সংবাদ মাধ্যমকে ফেরত আসা নারী শ্রমিকদের পুনর্বাসন কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের ভাসানচর প্রকল্পে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার এবং এই কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর। এই প্রকল্পের যথার্থতা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশ্লেষক আসিফ মুনীর। বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা বলেছেন, যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাইয়ের পরেই ভাসানচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে এগিয়ে যেতে হবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:55 0:00


XS
SM
MD
LG