অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রকাশ্য আলোচনার আহ্বান নিরাপত্তা পরিষদের কিছু সদস্যের


দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল রেলওয়ে স্টেশনে টেলিভিশন সংবাদ চলাকালীন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন কে নিয়ে প্রচারিত একটি প্রতিবেদন দেখছেন লোকজন। ১২ অক্টোবর, ২০২১।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বেশ কিছু সদস্য এবং জাপান বুধবার ১৫-জাতি পরিষদে উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রকাশ্য সভা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড তার সরকার এবং, ব্রিটেন, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, জাপান এবং নরওয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বলেন, “উত্তর কোরিয়া সরকারের ভয়ঙ্কর মানবাধিকার লঙ্ঘন, বেআইনি ডব্লিউএমডি [গণবিধ্বংসী অস্ত্র] এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মতো কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং এ বিষয়ে কাউন্সিলের অধিবেশনে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে”। জাপান ছাড়া উল্লিখিত দেশগুলোর সবাই নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য।

২০১৪ সালে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের নির্দেশিত একটি তদন্ত কমিশন, উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতির উপর একটি দীর্ঘ এবং কড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, “ডিপিআরকে [ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া] অর্থাত্ উত্তর কোরিয়ায় অকল্পনীয় মাত্রায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে”।

কিছু সদস্যের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও, সেই সময় থেকে, নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিবছর ডিসেম্বরে উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়ে, বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তার বার্ষিক প্রস্তাব উপস্থাপন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নভেম্বরে, উত্তর কোরিয়া সরকার জাতিসংঘে তার দেশের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছিল, ওগুলো ছিল “শত্রু শক্তির দ্বারা তৈরি করা বানোয়াট” এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারণার একটি অংশ।

এই চলমান নির্যাতনের মধ্যে রয়েছে খুন, দাসত্ব, নির্যাতন, কারাবাস, ধর্ষণ, জোরপূর্বক গর্ভপাত, জোরপূর্বক গুম, অনাহার এবং রাজনৈতিক, ধর্মীয়, জাতিগত এবং লিঙ্গের ভিত্তিতে নিপীড়ন।

২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত, কাউন্সিল এই বিষয়ে উন্মুক্ত সভা করেছে। পরের বছর থেকে সভাগুলো অনুষ্ঠিত হয় রুদ্ধদ্বার।

XS
SM
MD
LG