অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের নতুন আবিষ্কৃত সামরিক শক্তিমত্তায় আতংকিত নয় যুক্তরাষ্ট্র 


গণ প্রজাতন্ত্রী চীনের ৭০তম মার্ষিকীতে টিয়ানানমেন স্কয়ারে সামরিক প্যারেডে ডিএফ-১৭ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া, ফাইল ছবি, পহেলা অক্টোবর, ২০১৯, ছবি টমাস পিটার/রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে হাইপারসনিক অস্ত্র ব্যবস্থাসহ চীনের সাম্প্রতিক সামরিক ক্ষমতার উন্নয়ন উদ্বেগের কারণ বটে; তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলছেন চীন যদি যুক্তরাষ্ট্রকে ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করে, সেখানে তারা অসফল হবেI

ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি ভ্যালিতে রেগান জাতীয় প্রতিরক্ষা ফোরামে ভাষণে শনিবার দিনে আরও পরের দিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন যে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তাতে তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোকে এ কথাই বলবেনযে "প্রতিযোগিতায় ভয় পায় যুক্তরাষ্ট্র এমন দেশ নয়"I

আগে থেকে তৈরী করা মন্তব্যে অস্টিন বলেন, "আমরা ভয়ঙ্করচ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি, এই হুমকিকেও আমরা আস্থা ও প্রত্যয়ের সঙ্গে মোকাবেলা করবো, সেখানে থাকবে না কোনো আতঙ্ক বা হতাশা"I

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা কয়েক মাস ধরে বার বার উদ্বেগ ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে আগামী কয়েক দশকে বিশ্বের বিশিষ্ট সামরিক শক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রকে অতিক্রম করার লক্ষ্যে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেI

ওয়াশিংটনের সব চেয়ে জ্যেষ্ঠ সামরিক অফিসার, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ'এর চেয়ারম্যান, মার্ক মিলি চীনের জুলাই মাসের হাইপারসোনিক পরীক্ষাকে এমনকি ১৯৫০ সালে রাশিয়ার বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের সঙ্গে তুলনা করেন। সেই উৎক্ষেপণ মহাকাশে যে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করে, তা পরবর্তী কয়েক দশক ধরেই প্রাধান্য বিস্তার করে এসেছে।

মার্ক মিলি গত মাসে ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে জানান, "এটা ঠিক সেই স্পুটনিকের মুহূর্ত কিনা জানি না, তবে মনে হয় এটা তার বেশ কাছেইI এটা আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে"I

পূর্বে প্রস্তুত মন্তব্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন শনিবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তিধর দেশ হিসাবে চীনের উত্থানের জবাবে তাদের প্রয়াস বৃদ্ধি করেছে, গবেষণা,উদ্ভাবনে এবং নতুন নতুন ব্যবস্থার উন্নয়নে ও পরীক্ষায় আরো অর্থ যোগান দিতে যাচ্ছেযা যুক্তরাষ্ট্রকে দূর থেকে আরো মারাত্মক করে তুলতে পারেI

তিনি আরো বলেন, ড্রোন ও স্টিলথ প্রযুক্তিতেও অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে এবং বর্তমান অস্ত্র ব্যবস্থা যেন শারীরিক হামলা এবং সাইবার স্পেস হামলা উভয় ক্ষেত্রেই আরো স্থিতিস্থাপক হয় সেই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেI

প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন পূর্বে প্রস্তুত ঐ মন্তব্যে বলেন, "প্রযুক্তিগতভাবে আমরা এগিয়ে থাকলে, সামরিক দিক দিয়ে আমরা এগিয়ে থাকবোI আমাদের মুক্ত প্রয়াস, মুক্ত মানসিকতা এবং মুক্ত জনগণের সমন্বয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরাচারী যে কোন দেশের চাইতে এগিয়ে রয়েছে"I

এছাড়াও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিনের অধীনে প্রতিরক্ষা দপ্তর ইন্দো প্রশান্ত মহাসাগরীয় মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক গড়ার ওপরে জোর দিয়েছে। এই বিষয়টির উপরে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন তাঁর সওল সফরের সময়েএবং তারপর জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের টেলিফোন সংলাপেI

XS
SM
MD
LG