অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কভিড-১৯ঃ ব্রিটেন ভ্রমণ না করার পরামর্শ যুক্তরাষ্ট্রের


যুক্তরাজ্যের ফ্লাইটে ওঠার জন্য যাত্রীদের ভিড়

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ আমেরিকানদের ব্রিটেন ভ্রমণ করতে নিষেধ করছে কারণ সে দেশে নতুন করে কভিড-১৯ ‘এর প্রকোপ বাড়ছে। সোমবার  পররাষ্ট্র বিভাগ ব্রিটেনে ভ্রমণের বিষয়ে তার নির্দেশনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ঐ দিন আরও আগের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ আমেরিকানদের ব্রিটেন ভ্রমণ করতে নিষেধ করছে কারণ সে দেশে নতুন করে কভিড-১৯ ‘এর প্রকোপ বাড়ছে। সোমবার পররাষ্ট্র বিভাগ ব্রিটেনে ভ্রমণের বিষয়ে তার নির্দেশনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ঐ দিন আরও আগের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দু’টি দপ্তর থেকেই বলা হয়েছে যে লোকজনকে যদি একান্তেই ব্রিটেনে যেতে হয়, তাদের অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে তারা তাদের টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করেছে।

এই পরিবর্তিত নির্দেশনা এমন এক সময় জারি করা হলো যখন ব্রিটিশ জনগণ “মুক্তিদিবস” পালন করছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে এ দিন থেকেই সেখানে করোনাভাইরাস-লকডাউন শেষ হচ্ছে , সমাপ্তি টানা হচ্ছে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধানের এবং শারিরীক দূরত্বেরও। তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সম্ভবত এই আনন্দে ছায়াপাত করেছেন যখন তিনি ঘোষণা করেন যে সেপ্টম্বরের শেষ ভাগ থেকে যখন লোকজন নৈশক্লাব বা বিশাল কোন জনসমাবেশে যাবে তখন তাদের অবশ্যই টিকা গ্রহণের প্রমাণ দেখাতে হবে। আর জনসন নিজেও এই “মুক্তি দিবস” কাটিয়েছেন কোয়ারান্টিনে কারণ এরই মধ্যে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রী সাজিদ জাভিদ কভিড-১৯ এ সংক্রমিত হয়েছেন।

জানুয়ারি মাসের পর এই প্রথম গত সপ্তায় ব্রিটেনে প্রতিদিন কভিড-১৯’এ সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৫০,০০০। এ দিকে কানাডা সরকার সোমবার ঘোষণা করে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত স্থায়ী অধিবাসীদের জন্য তার সীমান্ত ৯ই আগস্ট থেকে খুলে দেবে যদি তারা প্রমাণ দিতে পারে যে তারা টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করেছে এবং কানাডায় যাওয়ার ৭২ ঘন্টার মধ্যে নেয়া পরীক্ষায় তারা কভিড-১৯’এ নেগেটিভ হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে ভারতে কভিড-১৯’এ মোট মৃত্যুর সংখা সরকারি হিসেবের চেয়ে ১০ গুণ বেশি হতে পারে । সরকারি হিসেবে বলা হয়েছে সেখানে ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ৪৮২ জন মারা গেছে।

XS
SM
MD
LG