যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে সংঘাত কমিয়ে আনার জন্য তাদের একটি "স্পষ্ট" কূটনৈতিক পন্থা রয়েছে। তবে রাশিয়া যদি আগ্রাসন শুরু করে তাহলে তাদের "খুব গুরুতর পরিণতির" মুখোমুখি হতে হবে।
কিয়েভে তাদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর ব্লিংকেন বলেন, "ইউক্রেনের সীমান্তের কাছে এখন রাশিয়ার প্রায় ১ লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে। এটি এক অর্থে ইউক্রেনের জন্য নজিরবিহীন এক হুমকি"।
ব্লিংকেন ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, "নিজেদের ভবিষ্যত এবং নিজ দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে ইউক্রেনের জনগণ, অন্য কেউ নয়।"
জেলেনস্কি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বাড়ানোর জন্য ব্লিংকেন এবং বাইডেন প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার সাংবাদিকদের জানান, বাইডেন প্রশাসন গত মাসে ইউক্রেনকে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষামূলক নিরাপত্তা সহায়তার জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলারের অনুমোদন দিয়েছে।
ইউক্রেনের নেতার সঙ্গে আলোচনার আগে ব্লিংকেন কিয়েভে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে আশা করেন, উত্তেজনা হ্রাস করার জন্য "কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ পথ" রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত এটি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর নির্ভর করে এবং তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন।