অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উজবেক সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে বহু আফগান শরণার্থী অনিশ্চয়তার মধ্যে

উজবেকিস্তানের টারমেজ-হাইরাটন ক্রসিংয়ে একজন আফগান নাগরিকের দেহ তল্লাশি করছেন উজবেক সীমান্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। ৩ নভেম্বর ২০২১।(ছবি-ভিওএ)
উজবেকিস্তানের টারমেজ-হাইরাটন ক্রসিংয়ে একজন আফগান নাগরিকের দেহ তল্লাশি করছেন উজবেক সীমান্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। ৩ নভেম্বর ২০২১।(ছবি-ভিওএ)

একটি ঠান্ডা কিন্তু রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে, ৩০-এর কোঠায় বয়স এমন এক আফগান অভিবাসন প্রত্যাশী, নাদিম, সুরখান্দারিয়া অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র, উজবেক সীমান্ত শহর টারমেজের স্থানীয় কৃষক বাজারে ডিম এবং চাল বিক্রি করেন৷ তিনি ঠিক কতদিন ধরে উজবেকিস্তানে আছেন তা বলেননি, তবে তার তিনটি ছোট সন্তানের কথা বলেন যাদের সবাই উজবেকিস্তানে লেখাপড়া করছে।

আগস্টের মাঝামাঝি তালিবান বাহিনী কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর কয়েক হাজার আফগান যারা উজবেকিস্তানে চলে যায়, তাদের মতো নাদিম ও তার পরিবার বৈধভাবে ঐ দেশেই আছে কিন্তু তারা কতদিন থাকতে পারবে বা তাদের আফগানিস্তানে ফিরে যেতে বাধ্য করলে কী হবে সে সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নয়।

নাদিম ভিওএকে বলেন, "আমি এখানে খুশি এবং আমার পরিবারও খুশি এবং আফগানিস্তানে আমাদের লোককে সাহায্য করতে চাইবার জন্য উজবেক সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।তবে আমি উজবেক প্রেসিডেন্টকে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো বুঝতে বলি। আমরা আফগানিস্তানে ফিরতে পারব না। আমি চাই আমার সন্তানরা উজবেকিস্তানে বেড়ে উঠুক এবং আশা করি এই সরকার আমাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেবে।"

তালিবান নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরপরই উজবেক সরকার আফগানিস্তানের সঙ্গে তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয় এবং ঘোষণা করে যে কোন আফগান শরণার্থীকে দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। যদিও ইউরোপে ও অন্যান্য স্থানে শরণার্থীদের স্থানান্তর করার ফ্লাইটগুলির জ্বালানি নেয়ার জন্য তাদের বিমানবন্দরে বিরতির অনুমতি রয়েছে এবং টারমেজে অনুমোদিত বাণিজ্যিক চলাচল পুনরায় চালু হওয়া সত্ত্বেও শরণার্থী নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।

এই নীতিটি ২০ বছর বয়সী নারী দিলবর যিনি বাজারে দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি করেন, তার মতো মানুষদের জন্য অনেক বেশি সমস্যা তৈরি করেছে। তিনি নিজে উজবেকিস্তানের নাগরিক কিন্তু তার স্বামী একজন আফগান এবং কাবুলে আটকা পড়েছেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG