বন্ধুবান্ধব, পরিবার এবং প্রাক্তন সহকর্মীরা কলিন এল. পাওয়েলকে তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে সম্মান জানাচ্ছেন। ব্রঙ্কসে বেড়ে ওঠা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত এই সৈনিক-কূটনীতিক জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হয়েছিলেন এবং পরে দেশের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷
শুক্রবার ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথিড্রালে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে পাওয়েলকে স্মরণ করা হচ্ছে।প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে তবে কোন বক্তব্য দেবেন না। ম্যাডেলিন অলব্রাইট, যিনি দেশের শীর্ষ কূটনীতিক হিসাবে পাওয়েলের পূর্বসূরি ছিলেন এবং রিচার্ড আর্মিটেজ, যিনি পাওয়েলের অধীনে তার সহকারী মন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁকে চিনতেন রেগ্যান প্রশাসনের সময় পেন্টাগনে একসঙ্গে কাজ করার পর থেকে, তিনি এবং পাওয়েলের ছেলে মাইকেল তাঁর প্রশংসা পাঠ করবেন।
ক্লিনটন প্রশাসনের সময় জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত হিসাবে তার মেয়াদকালে অলব্রাইট মাঝে মাঝে পাওয়েলের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তেন, যদিও তাঁরা পরে ভাল বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু। জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন সময়ে তাঁর শেষ মাসগুলির স্মরণ করেন দুজনেই, যখন ম্যাডেলিন অলব্রাইট বলকানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে তর্ক করেছিলেন এবং প্রশ্ন করেছিলেন যে এই পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা না গেলে কেন যুক্তরাষ্ট্র একটি দুর্দান্ত সামরিক বাহিনী তৈরি করেছে।পাওয়েল স্মরণ করেন যে ঐ সময় ম্যাডেলিন অলব্রাইটের বিবৃতিতে তিনি খুব বিরক্ত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, "আমি ভেবেছিলাম আমার অ্যানিউরিজম (হৃদয়ের ধমনী যখন দুর্বল হয়ে পড়া) হবে।"
পাওয়েলের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যে যুক্তরাষ্ট্র কেবলমাত্র তখনই তার সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করবে যখন তার একটি স্পষ্ট এবং অর্জনযোগ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকবে পরে যেটি পাওয়েল মতবাদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।
১৮ অক্টোবর, ৮৪ বছর বয়সে পাওয়েল কোভিড-১৯ জটিলতায় মারা যান। তাঁকে করোনভাইরাস এর টিকা দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁর পরিবার জানিয়েছে যে তার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্লাড ক্যান্সারের কারণে দুর্বল ছিল।পাওয়েল তাঁর ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।