ব্লগার ডা. পিনাকী ভট্টচার্যের আত্মগোপন নিয়ে রহস্য ক্রমেই দানা বাঁধছে। আলোচিত এই ব্লগার হঠাৎ করেই নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এরপর অনেকটা নাটকীয়ভাবে জানান দেন তিনি প্রাণনাশের ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। ডা. পিনাকীর ফেসবুক পেজ ফলো করে অন্তত দেড় লাখ মানুষ। দীর্ঘদিন থেকেই ফেসবুক ও টুইটারে তিনি সরকারের নানা দুর্নীতি, বলপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে কথা বলে আসছিলেন।
অনলাইনে অনেকবারই তিনি হত্যার হুমকি পান। সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েও তিনি স্ট্যাটাস দেন। গত ৫ই আগস্ট থেকে তার আর কোনো সন্ধান নেই। বাবা শ্যামল ভট্টাচার্যও জানেন না পিনাকী কোথায় আছেন। এমন কি তার স্ত্রী আঞ্জুমানারাও। কেন পিনাকী আত্মগোপনে গেলেন? ঢাকায় সংবাদমাধ্যমকে এ ব্যাপারে কোনো তথ্যই দেননি। তবে বৃটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফকে খুলে বলেছেন নেপথ্যের অনেক কথা। তার ভাষায়, নিরাপদ সড়কের দাবিতে যখন ছাত্র আন্দোলন হচ্ছিল, তখনই তাকে একটি গোয়েন্দা সংস্থা তলব করে। একজন অফিসার ফোন করে তার সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য অফিসে যাওয়ার কথা বলেন। তাৎক্ষণিকভাবে পিনাকী তার ফেসবুক পেজ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
পিনাকী জানিয়েছেন, তার আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা দফায় দফায় তাকে বাড়ি ও অফিসে খুঁজতে গেছেন। তাছাড়া প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে যখন গ্রেফতার করা হয়। তখনই তিনি ফোন কল পান। বর্তমানে শহিদুল কারাগারে রয়েছেন। বগুড়ায় বসবাসরত পিনাকীর বাবা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক শ্যামল ভট্টাচার্য এই সংবাদদাতাকে বলেন, ছেলে কোথায় আছে জানি না।
পিনাকীর স্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, স্বামীর নিরাপত্তা নিয়ে তারা খুবই চিন্তিত। আরো দুশ্চিন্তা বেড়েছে তার বাসায় গোয়েন্দারা বারবার এসে যখন জানতে চাচ্ছে, পিনাকী কোথায়? ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী
Your browser doesn’t support HTML5
ব্লগার ডা. পিনাকী এখনও আত্মগোপনে