টোঙ্গায় আন্তর্জাতিক সাহায্য পৌঁছোতে শুরু করেছে

ব্রডকম ব্রডকাস্টিং এর এই ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের কাছে শনিবারের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পরে টোঙ্গার নুকু'আলোফাতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখা যাচ্ছে৷২০ জানুয়ারী ২০২২।

বৃহস্পতিবার টোঙ্গায় সহায়তা সামগ্রী নিয়ে একটি বিমান অবতরণ করে। সম্প্রতি সাগরের তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে হওয়া সুনামির পর এটিই সেখানে প্রথম ত্রাণবাহী বিমান। নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর একটি হারকিউলিস বিমান পানির পাত্র, অস্থায়ী আশ্রয় ও জেনারেটর নিয়ে আসে। অস্ট্রেলিয়ার বিমানও অত্যাবশ্যক সামগ্রী সরবরাহ করবে।

শনিবারের ঐ বিপর্যয়ের পর, এ পর্যন্ত মাত্র তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। হাওয়াই থেকে নিউজিল্যান্ড যাওয়ার পথের দুই-তৃতীয়াংশ দূরত্বে, দক্ষিণ প্যাসিফিকে এই দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত।

তবে, বিপর্যয়টিতে ঘরবাড়ি ও পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের বিমান বাহিনীর তোলা ছবিতে দেখা যায়, কিছু কিছু দ্বীপে বেশ কয়েকটি গ্রাম একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে।

শত শত স্বেচ্ছাসেবী ও টোঙ্গার প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা, প্রধান বিমানবন্দরটির রানওয়ে থেকে ছাই ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছেন, যাতে করে আন্তর্জাতিক সহায়তা সেখানে পৌঁছতে পারে।

স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় স্থাপন করা হয়েছে। তবে, সমুদ্রের তলদেশে একটি তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে, অন্যান্য টেলিফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ মেরামত করতে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর দুইটি জাহাজের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যেগুলোতে পানি ও অন্যান্য অত্যাবশ্যক সামগ্রী রয়েছে। জাহাজ দুইটিতে প্রকৌশলী ও হেলিকপ্টারও রয়েছে।

কোভিডের নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়টি, সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করার কাজটিকে আরও জটিল করে তুলেছে। টোঙ্গায় মাত্র একজন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সংস্পর্শে না এসে কিভাবে বৈদেশিক সহায়তা বিতরণ করা যায়, সেটিই এখন নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন, টোঙ্গা ও নিউজিল্যান্ডের কর্মকর্তারা।

টোঙ্গার জনসংখ্যা আনুমানিক ১০০,০০০। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডেও দেশটির প্রচুর অভিবাসী রয়েছেন।