ইউক্রেন সংকট নিয়ে ম্যাক্রোঁ ও পুতিনের বৈঠক

মুখোমুখি বৈঠকে ম্যাক্রোঁ ও পুতিন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের হুমকি রোধ করার চেষ্টা হিসেবে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে মস্কোতে এক বৈঠক করেন। কিন্তু ক্রেমলিন আগেই বলেছিল যে তারা পশ্চিমের সাথে তার অচলাবস্থার কোনো তাত্ক্ষণিক সমাধান আশা করছে না।

ক্রেমলিন আলোচনার আগে বলেছিল যে, তারা পশ্চিমের দেশগুলোর সাথে অচলাবস্থা নিরসনে তাত্ক্ষণিক কোনও সমাধান আশা করে না।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন, "একটি বৈঠকে সিদ্ধান্তমূলক অগ্রগতি আশা করার খুবই কঠিন।"

পেসকভ বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়ে নতুন কিছু নেই”। “আমাদের পশ্চিমা আলোচকরা এই বিষয়টি উল্লেখ না করতেই পছন্দ করেন”।

মস্কো রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে এবং তার মিত্র, বেলারুশের সাথে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে। পশ্চিমের আশঙ্কা, পুতিন যে কোনও সময় মস্কোর এক সময়কার সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রে আক্রমণের নির্দেশ দিতে পারেন।

ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের নেটো মিত্ররা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে গঠিত পশ্চিমা সামরিক জোটে ইউক্রেনের সম্ভাব্য সদস্যপদ বাতিল করার মস্কোর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ম্যাক্রোঁ প্যারিস ত্যাগ করার আগে, লে জার্নাল ডু ডিমঞ্চেকে বলেছিলেন, "আমাদের খুব বাস্তববাদী হতে হবে। আমরা একতরফা কিছু করব না, তবে আস্থার প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য তৈরি করার আগে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা অপরিহার্য।" পুতিনের সাথে সাক্ষাতের পর, ম্যাক্রোঁ মঙ্গলবার ইউক্রেনের নেতাদের সাথে আলোচনার জন্য কিয়েভ রওনা হবেন।

এদিকে, ডিসেম্বরে জার্মানীর ক্ষমতা গ্রহণের পর এই প্রথম মুখোমুখি আলোচনায় হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজের সাথে দেখা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।