ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাথে বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘ফ্রেমওয়ার্ক’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি জাকার্তায় এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছেন।

ওয়াশিংটন — বাইডেন প্রশাসন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি “ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক কাঠামোর" পরিকল্পনা ঘোষণা করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে চীনের বিপরীতে এই অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন বাণিজ্য বিধান তৈরিতে অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে।

ট্রাম্প প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ থেকে অপসারণের পাঁচ বছর পর ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাণিজ্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের উপস্থিতির ব্যাপারে দেশটির ব্যবসা ও বাণিজ্য দলগুলো উৎসাহী ছিল।

অক্টোবর মাসে হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যাতে বলা হয়, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কাঠামোর উদ্দেশ্য হবে “বাণিজ্য সুবিধা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির মানদণ্ড, সাপ্লাই চেইন স্থিতিস্থাপকতা, কার্বন নিসঃরণ কমানো এবং ক্লিন এনার্জি, অবকাঠামো, শ্রমিকের জীবনমান এবং অন্যান্য অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রে আমাদের পারস্পরিক উদ্দেশ্য সংজ্ঞায়িত করা।“

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ইঙ্গিত করছেন যে ইউ এস ট্রেড রেপ্রিজেনটাটিভ অ্যান্ড দ্য কমার্স ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্বে এই প্রচেষ্টা সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছে।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার সহকারি বাণিজ্য প্রতিনিধি সারাহ বিয়াংকি বলেন যে, একটি আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা সম্পন্ন করার জন্য এখনও কিছু কাজ বাকি আছে কিন্তু “আমরা যে পদ্ধতির কথা ভাবছি সেটির জন্য যথেষ্ঠ উপাদান রয়েছে।“