মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন যে, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কূটনৈতিক মোকাবেলাই এর সর্বোত্তম সমাধান। সামনের দিনগুলোতে তিনি ফ্রান্স, জার্মানি এবং ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে পরামর্শ করার আশা করছেন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সাথে দেখা করতে কিয়েভ যান। সেখান থেকে মঙ্গলবার তিনি বলেন, “ কয়েক ঘণ্টার আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা যাবে বলে আমি মনে করি না।“
এর আগে সোমবার মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা করেছেন ম্যাক্রোঁ।ত
এরপর মঙ্গলবার ক্রেমলিন মুখপাত্র দমিত্রি প্রেসকভ সংকট সমাধানের কথা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “ বর্তমান পরিস্থিতিতে মস্কো ও প্যারিস কোনো চুক্তিতে আসতে পারেনি।“ তিনি আরও বলেন, “ ফ্রান্স ইইউ ও নেটোর সদস্য। ফ্রান্স নেটোর নেতৃত্ব দিচ্ছে না।
পূর্ব ইউরোপে নেটোর সম্প্রসারণ বন্ধ করা ও সাবেক সোভিয়েট প্রজাতন্ত্র ইউক্রেনের নেটোতে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা বন্ধ করার রাশিয়ার যে দাবি, নেটো তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সোমবার রাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কূটনীতির দরজা খোলা রাখলেও ইউক্রেনে আক্রমণের সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেননি। জেলেনস্কির সাথে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের আলোচনা শেষে পুতিন ম্যাক্রোঁর সাথে ফোনে আবার কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন
এদিকে জেলেনস্কি ম্যাক্রোঁর সাথে আলোচনার পরে বলেছেন যে, তিনি চান পুতিন ইউক্রেন সীমান্ত থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে সদিচ্ছা প্রদর্শন করুন।