নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করতে অস্ট্রেলিয়া সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার একটি মিশন মিটিংয়ে বক্তৃতা দেয়ার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে অনুরোধ জানানোর সময় তিনি শুনছেন। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য নিরাপত্তা আলোচনার আগে, বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলো মোকাবেলায় জোট গঠনের গুরুত্বের উপর জোর দেন এবং অঞ্চলটিতে বাইডেন প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার মেলবোর্নে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনের কর্মীদের ব্লিংকেন বলেন, “আমরা যেটা বুঝি সেটা হল যে আমাদের দেশের মানুষ, অস্ট্রেলিয়ার মানুষ, এবং সারা পৃথিবীর মানুষ যেই বিষয়গুলো দিয়ে আসলেই প্রভাবিত হচ্ছে – সেটা জলবায়ু হোক, কোভিড হোক, নতুন প্রযুক্তির প্রভাব হোক – এর কোন একটি বিষয়ও আমাদের একার কারো পক্ষে একা হাতে সমাধান করা সম্ভব না।” তিনি আরও বলেন, “আগের যে কোন সময়ের চাইতে বেশি করে এখন আমাদের অংশীদারিত্ব দরকার, মৈত্রী দরকার, আমাদের দেশগুলোর মধ্যে জোট দরকার যারা তাদের প্রয়াস, তাদের সম্পদ, তাদের মেধা এইসব সমস্যা মোকাবেলায় ব্যবহার করবে।”

এর আগে ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্নের ল’ স্কুলে বায়োমেডিকেল বিষয়ে একটি খোলা আলোচনায় অংশ নেন ব্লিংকেন। বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী মডার্না ও ব্রিস্টল-মায়ারস স্কুইব-এর কর্মকর্তারাও এই গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

ব্লিংকেন বৈশ্বিক টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা এবং “আরও শক্তিশালী একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার” প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আলোচনা করেন, যাতে করে আমরা “পরবর্তীবারের জন্য” আরও ভালভাবে প্রস্তুত থাকতে পারি।

এই সপ্তাহে এর আগে অস্ট্রেলিয়া জানায় যে বিদেশ থেকে আগত টিকাপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সফরকারীদের জন্য তারা তাদের সীমান্ত ২১ ফেব্রুয়ারি খুলে দিবে। কোভিড-১৯ এর ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর এমন পদক্ষেপ নিল দেশটি।

মহামারীর কারণে অস্ট্রেলিয়ার সীমান্ত নিষেধাজ্ঞা, পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা কড়াকড়ির একটি।

শুক্রবার কোয়াড দেশগুলোর নেতাদের সাথে বৈঠক করবেন ব্লিংকেন। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারতকে কোয়াড অন্তর্ভুক্ত দেশ বলা হয়।