পাঁচদিন ধরে অ্যাম্বাসেডর সেতুতে চলমান অবরোধটি তুলে নিতে বিক্ষোভকারীদেরকে আদেশ দিয়েছেন কানাডার একজন বিচারক। সেতুটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে ব্যস্ততম সীমান্ত সংযোগ।
সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে চলা এই ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্টের প্রধান বিচারপতি জফরি মোরাওয়েটজ এই আদেশ দেন। তিনি বলেন, আদেশটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় কার্যকর হবে যাতে করে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পান।
বিক্ষোভকারীরা গত সোমবার থেকে পিকআপ ভ্যানের সাহায্যে কানাডার উইন্ডসর ও মিশিগানের ডেট্রয়েটের মধ্যবর্তী ঐ সেতুটি অবরোধ করে রেখেছেন। তাদের দাবী, আদালতের উক্ত আদেশটি তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার ক্ষুণ্ন করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারীদের অপসারণের চেষ্টা করবেন কি না সে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তবে উইন্ডসর পুলিশ সতর্ক করেছে যে, বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে এবং তাদের গাড়িগুলো জব্দ করা হতে পারে।
এর আগে শুক্রবার, অন্টারিও’র প্রধান ডাগ ফোর্ড ট্রাকচালকদের বিক্ষোভের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
ফোর্ড বলেন, তিনি শনিবার প্রাদেশিক পরিষদের সভা আহ্বান করবেন। তিনি বলেন, তিনি “স্পষ্ট করে” বুঝিয়ে দিতে চান গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অবরোধের মাধ্যমে ট্রাকচালকেরা আইন ভঙ্গ করছেন।
তিনি বলেন, আদালতের আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা ও এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
শুক্রবার একটি ফোনালাপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো একমত পোষণ করেন, “দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত ও বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত করে বিক্ষোভকারীরা নাগরিকদের জীবন ও জীবিকার ওপর সরাসরি গুরুতর প্রভাব ফেলছে”, বলে হোয়াইট হাউসের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানায় যে, ট্রুডো “আইন প্রয়োগে দ্রুত পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন”।