আই-এস ও আল-কায়েদা আফগানিস্তানে তাদের সমর্থন মজবুত করার দিকে মনযোগী

কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের দেওয়া এই ছবিটিতে সিরিয়ার হাসাকেহ শহরের গোইরান কারাগারে হামলা করার পর কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের পতাকা এবং ব্যাগ দেখা যাচ্ছে।২১ জানুয়ারি ২০২২।

আফগানিস্তান আবারও সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে ওয়াশিংটনের কিছু কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের এমন উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা এবং গোয়েন্দা মূল্যায়ন ইঙ্গিত দেয় যে অন্তত আপাতত, ইসলামিক স্টেট এবং আল-কায়েদার মতো গোষ্ঠীগুলি পশ্চিমের বিরুদ্ধে দেশটি থেকে আক্রমণ পরিচালনা করতে প্রস্তুত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্যদের কাছ থেকে পাওয়া মূল্যায়ন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রকাশিত প্রতিবেদনের অংশ যা ছয় মাস আগে দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তান থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য হুমকি পরীক্ষা করেছে।

অক্টোবর মাস থেকে পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা যে উদ্বেগের কথা বলেছিলেন তার বিপরীত তথ্য দিচ্ছে এই প্রতিবেদন। সে সময় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছিলেন যে আইএস-খোরাসান ছয় মাসের কম সময়ের মধ্যে পশ্চিমে এবং যুক্তরাষ্ট্রে হামলার জন্য প্রস্তুত হতে পারে। আল-কায়েদাও অল্প সময়ের মধ্যে একই ক্ষমতা সঞ্জীবিত করতে পারে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি, কলিন কাহল ইসলামিক স্টেটের আফগান সহযোগীর সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করে সে সময় সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে বলেছিলেন, "আল-কায়েদা এবং আইএসআইএস-কে উভয়েরই বিদেশে অভিযান পরিচালনা করার ইচ্ছে রয়েছে।"

নতুন মূল্যায়নে বোঝা যাচ্ছে যে ঐ গোষ্ঠীদের এই অভিপ্রায় এখনও আছে। তবে উভয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নেতাদের অন্যান্য অগ্রাধিকার রয়েছে।

বিশেষ করে আইএস-এর সহযোগী হিসাবেও পরিচিত আইএস-খোরাসান প্রদেশ, শত্রুদের উপর হামলা চালানোর প্রস্তুতির পরিবর্তে আফগানিস্তানের মধ্যে তার সমর্থন মজবুত করার দিকে বেশি মনোযোগী বলে মনে হচ্ছে।