নকল পণ্যের উৎসের তালিকার শীর্ষে চীন; জানালো যুক্তরাষ্ট্র

ফাইল - একজন বিক্রেতা ব্যাংককের এমবিকে শপিং মলে তার দোকানে একজন গ্রাহকের কাছে মোবাইল ফোন এবং আনুষাঙ্গিক বিক্রি করছে৷ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত বার্ষিক কুখ্যাত-বাজার তালিকা অনুযায়ী এবারও বিশ্বব্যাপী নকল পণ্যের শীর্ষ উৎস হিসেবে রয়েছে চীন।

করোনা মহমারীর কারণে পর্যটন এবং চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যার ফলে প্রকাশ্যে নকল পণ্য বিক্রির জন্য পরিচিত কিছু বাজারে বর্তমানে এমন সমস্যাযুক্ত দোকান নেই কিংবা খুব কম আছে যারা বর্তমানে ব্যবসা করছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

ইউএসটিআর জানায়, নকল পণ্য বেচাবিক্রির কিছু কুখ্যাত জায়গা হলো, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের সেন্ট্রাল মার্কেট, চীনের ফুজিয়ানের আনফু মার্কেট,বেইজিং-এর সিল্ক মার্কেট,ভারতের নয়াদিল্লির ট্যাঙ্ক রোডের পালিকা বাজার ইত্যাদি।

সমস্যা শুধু উন্নয়নশীল বিশ্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কর্মকর্তারা জানান, উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম ইনডোর এশিয়ান শপিং মল হিসাবে বিবেচিত টরন্টোর প্যাসিফিক মলও বেশ কয়েক বছর পরে নকল পণ্য বিক্রির বার্ষিক তালিকায় ফিরে এসেছে।

ইউএসটিআর রিপোর্টে বলা হয়েছে, নকল পণ্য পাচারের কিছু দোকান ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরিত হচ্ছে "এবং অনলাইন বিক্রিকে সহজতর করার জন্য ফিজিক্যাল স্টোরফ্রন্ট ব্যবহার করছে।" রিপোর্টে আরও বলা হয়,” সরকার এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নকল-বিরোধী প্রক্রিয়া এবং সিস্টেমগুলো এড়ানোর জন্য অনলাইন বিক্রেতারা সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন এবং ইনফ্লুয়েন্সার, লুকানো লিঙ্ক এবং ড্রপ শিপিং স্কিম ব্যবহার করে।"

সমস্যাসঙ্কুল ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে , পাইরেটেড সিনেমা ও টিভি শো শেয়ারের জন্য চীনের বাইদু ওয়াংপান ক্লাউদ স্টোরেজ সার্ভিস, ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ ই-কমার্স প্লাটফর্ম বুকালাপাক,ই-কমার্স ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ ইন্ডিয়া মার্ট,পাইরেসির নেটফ্লিক্স বলে খ্যাত মোবাইল অ্যাপ পপকর্ন টাইম ইত্যাদি।