বাংলাদেশে চলতি অর্থবছরের আট মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ৩২৫ কোটি ডলার

বাংলাদেশে চলতি অর্থবছরের (২০২১–২২) ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ (১৪৯৬.৯ মিলিয়ন) ইউএস ডলারের কিছু বেশি। এই রেমিট্যান্স গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ কোটি ৪০ লাখ (২৮৪.৫ মিলিয়ন) ডলার কম।

মঙ্গলবার (১ মার্চ) বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরের (২০২০-২১) ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ১৭৮ কোটি (১৭৮০.৫৯ মিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স হিসেবে ১ হাজার ৩৪৪ কোটি (১৩.৪৪ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশে অর্থবছর সাধারণত ১ জুলাই থেকে হিসাব করা হয়।
এর আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে একই সময় ব্যবধানে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৬৬৮ কোটি (১৬.৬৮ বিলিয়ন) ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে দেশে রেমিট্যান্সের অভ্যন্তরীণ প্রবাহ ৩২৫ কোটি (৩.২৫ বিলিয়ন) ডলার কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশি প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে (ব্যাংকিং) রেমিট্যান্স পাঠানোয় উৎসাহিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে সরকার তাদের পাঠানো অর্থের ওপর দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া শুরু করে।
বিশ্বব্যাপী করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে দেশে রেমিট্যান্সের অভ্যন্তরীণ প্রবাস হ্রাস পেতে শুরু করলে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সরকার প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর প্রণোদনার পরিমাণ বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করে।

সরকারের প্রণোদনা হার বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উর্ধমুখী হওয়ায় চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে বলে জানিয়েছেন এ খাতের সংশ্লিষ্টরা।